মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন ও পিকাপ মালিক সমিতির কার্যালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনার ক্ষতিপূরণ ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি করে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গাকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে শ্রমিক নেতারা।
মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর মহানগরীর সাতমাথা চত্বরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল শেষে এ আল্টিমেটাম দেন জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সাজু।
সোমবার সকালে রংপুর থেকে লালমিরহাট, পাটগ্রাম, সুন্দরগঞ্জ, পীরগাছা রুটে শুরু হওয়া অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট দ্বিতীয় দিনের মতো অব্যহত রয়েছে। এর ফলে শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তি ও দুর্ভোগে পড়েছেন।
দুপুর সাড়ে ১২টায় সাতমাথা এলাকায় জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন ও জেলা পিকাপ মালিক সমিতির নেতাকর্মী ও শ্রমিকরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রদক্ষিণ শেষে সাতমাথা চত্বরে সড়ক অবরোধ করে পথসভা করে।
এসময় পথসভায় বক্তারা বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রী রাঙ্গার নির্দেশেই তার লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসীরা এরআগেও সন্ত্রাসীরা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন ও পিকাপ মালিক সমিতির কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করে। বাস ভাঙচুর ও নিরীহ শ্রমিকদের মারধর করে। কিন্তু প্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর কারণে তাদের গ্রেপ্তার করেনি।’
প্রতিমন্ত্রী রাঙ্গাকে আল্টিমেটাম দিয়ে বক্তারা বলেন, ‘হামলা ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত মোটর মালিক সমিতির ভাড়াটে রাঙ্গা বাহিনীকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারও শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ দেয়া না হলে বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। দাবি আদায় না হলে সমগ্র উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় সব ধরণের পরিবহনে ধর্মঘট ডাকার হুশিয়ারি দেন তারা।’
পথসভায় বক্তব্য দেন, জেলা পিকাপ মালিক সমিতির সেক্রেটারি ও মহানগর যুবলীগ নেতা আশরাফুল ইসলাম, মডার্ন শাখার সেক্রেটারি শামীম আহমেদ, সাতমাথা শাখার সভাপতি আনোয়ার, সেক্রেটারি লিটন, ঢাকা কোচস্ট্যান্ড শাখার মধু মিয়া প্রমুখ।
গত ১৯ অক্টোবর গভীর রাতে মহানগরীর সাতমাথায় মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের আঞ্চলিক ও জেলা পিকাপ মালিক সমিতির কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। সাতমাথায় বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর ও শ্রমিকদের মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন ও পিকাপ মালিক সমিতি সোমবার সকাল থেকে উত্তরাঞ্চলের ৪টি রুটে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট শুরু করে।
জেআই





