এবারের পাসের হার ৭৩.৯৩ শতাংশ। এটা যথেষ্ট গ্রহণযোগ্য। এটা ভালো। আমি মনে করি, শিক্ষার্থীদের দিকে আরো বেশি মনোযোগ দিতে পারলে তারা আরো বেশি ভালো করবে বলে বন্তব্য বরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে গণভবনে ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও ফলের পরিসংখ্যান হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একটা সমাজকে উন্নত করতে হলে শিক্ষাটাই হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষিত জাতিই পারবে একটি দেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ হিসেবে গড়ে তুলতে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের উন্নয়ন সারা বিশ্বে একটা রোল মডেল। আমাদের এই এগিয়ে যাওয়াটা ধরে রাখতে হবে।
ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের পাসের হার বেশি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় আমাদের ছাত্রীর সংখ্যা পাসের দিক থেকে একটু বেশি মনে হচ্ছে। জেন্ডার সমতার বিষয়টি বিশ্বব্যাপী প্রচলিত। আমাদের ছাত্রদের সংখ্যাটা বাড়াতে হবে, তাদের পাসের হারটা বাড়াতে হবে। যাতে জেন্ডার সমতা আসে।
নির্ধারিত সময়ের আগে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করায় সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন মাত্র ৬০ দিনের মধ্যে রেজাল্ট দেওয়া হচ্ছে। জানি এতে আপনাদের একটু কষ্ট হচ্ছে; কিন্তু তারপরও আপনারা সেটা করছেন। এর ফলে কিন্তু সেশন জট থাকছে না। সময়মত ভর্তি হতে পারছে শিক্ষার্থীরা। এবার তো নির্ধারিত সময়ের আগেই রেজাল্ট দিলেন। মাত্র ৫৫ দিনের মধ্যে রেজাল্টটা দিতে পারলেন। সে জন্য আমি আপনাদের অভিনন্দন জানাই।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব নজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি, উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, শিক্ষাবোর্ড প্রধানসহ উচ্চপদস্থ সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এসএম





