সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কিংবা জেলা প্রশাসন থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।
প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের বিষয়ে মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
বগুড়া ও দিনাজপুরসহ কয়েকটি এলাকায় প্রাথমিক সমাপনীর প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সারাদেশে এ পরীক্ষা শুরু হয়।
প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ পাওয়া গেলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে কিনা- সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘হুট করে একটি পাবলিক পরীক্ষা বন্ধ করে দেওয়া যায় না। শতভাগ নিশ্চিত হতে হবে। জেলা প্রশাসন ও পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা লিখিত প্রতিবেদন দিলে এর ভিত্তিতে আমরা ব্যবস্থা নেব।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেখব কোথায় কোথায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে, আসলেই প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে কিনা। হয়ে থাকলেও কত সংখ্যক শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এর প্রভাব কতটুকু। এরপরই আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ফেসবুকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এগুলো করছে। এ বিষয়ে আমরা যা করার করছি। যারা প্রশ্ন ফাঁস করছে, তারা চাইছে না পরীক্ষাটা ভালো হোক। তারা কারো দ্বারা মোটিভেটেড, বিশেষ উদ্দেশ নিয়ে এটা করছে।’
গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি থাকতে পারে। সেই ছিদ্র দিয়ে কেউ প্রবেশ করতে পারে।’
গত ২৩ নভেম্বর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার শুরু হয়। এবার প্রায় ৩১ লাখ পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
এএইচ





