দিনাজপুরের খানসামায় ১১ দিন পরেও উদ্ধার করা হয়নি অপহরণকৃত স্কুলছাত্রী নাছিমা। অপহরণের ১১ দিনেও স্কুলছাত্রী উদ্ধার না হওয়ায় ও পুলিশ প্রশাসনের নীরব ভূমিকার প্রতিবাদে স্কুলের শিক্ষক, সহপাঠী ও এলাকাবাসী মানববন্ধব কর্মসূচি পালন করেছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার মাদার ডাঙ্গা গ্রামের টংগুয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই মানববন্ধন পালন করেন।
টংগুয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সতীশ চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে বিদ্যালয়ের তিন শতাধিক ছাত্র ছাত্রীসহ সাত শতাধিক এলাকাবাসী ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে অংশ গ্রহন করেন।
সহপাঠী পিংকি রানী রায় জানায় , অপহৃত নাছিমা আক্তার অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী ছিল । আমরা এক সাথে স্কুলে আসা যাওয়া করতাম । হঠাৎ করে গত ১৯ মার্চ স্কুল ছুটির পর মাইক্রোবাস যোগে কয়েকজন দুঃস্কৃতিকারী নাছিমা আক্তার কে অপহরণ করে নিয়ে গেছে । এখন আমরাও স্কুলে যেতে ভয় পাচ্ছি।
ভাই রুহুল আমিন চাঁন জানায় , আমার বোন নাছিমা আক্তার অত্যন্ত ভদ্র ও মেধাবী ছাত্রী । গত ১৯ মার্চ তারিখে প্রতিদিনের মত স্কুলে যায় । স্কুল ছুটি হওয়ার পরও আমার বোন নাছিমা আক্তার বাড়িতে না আসায় খোঁজাখুজি শুরু করি । এমন এক সময় অজ্ঞাত একটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমি জানতে পারি যে নাছিমাকে অপহরণ করা হয়েছে । তাৎক্ষনিক ভাবে বিষয়টি খানসামা থানায় লিখিত ভাবে অবহিত করি । পুলিশ প্রথমে বিষয়টি নিয়ে তোড়জোর করলেও এখন নীরব ভূমিকা পালন করছে।
শ্রেণী-শিক্ষক সাইদুর রহমান জানায়, নাছিমা আক্তার আমার ক্লাসের মেধাবী ছাত্রী , কোন সহপাঠীর সাথে ঝগড়া ও মারামারি করত না পরীক্ষার ফলাফল খুবই ভাল ছিল। নাছিমা আক্তার অপহরণ হওয়ার পর অন্যান্য ছাত্রীরাও স্কুলে আসতে ভয় পাচ্ছে। কলেজ ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর মত নাছিমার ভাগ্যে কি আছে আমরা খুবই আশঙ্কা করছি।
খানসামা থানা উপ-পরির্দশক প্রাণ কৃষ্ণ জানান, স্কুল ছাত্রী নাছিমা আক্তারকে অপহরণের সহযোগিতা কারী একজনকে আটক করা হয়েছে। অপহরণকারীর মূল হোতাকে আটকের জন্য চেষ্টা অব্যাহত হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত ১৯ মার্চ খানসামা উপজেলার মাদার ডাঙ্গা গ্রামের টংগুয়া আদর্শ উচ্চ্ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্রী নাছিমা আক্তার উক্ত উপজেলার গোবিন্দপুর মাদারডাঙ্গা গ্রামের এ্যাড. চাঁন মিয়ার বোন
এমআইএস।





