চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী চারুলিয়ায় বিজিবির হামলায় নারীসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার রাতে ফেনসিডিল উদ্ধারের নামে গরু ব্যবসায়ী নেপাল (২৯) এর বাড়ি তল্লাশি শেষে ফেনসিডিল না পেয়ে তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে।

এলাকাবাসী জানান, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ঠাকুরপুর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার শহীদ সরোয়ারসহ পাঁচ জন বিজিবি সদস্য উপজেলার চারুলিয়া গ্রামের গরু ব্যবসায়ী নেপালের বাড়িতে অভিযান চালায়। ফেনসিডিল উদ্ধারের কথা বলে পুরো বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে ফেনসিডিল না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা নেপালকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

এ খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত গ্রামবাসীরা পাঁচ বিজিবি সদস্যকে ঘিরে ফেলে। এরপর বিজিবি সদস্যরা তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। ঘটনারপর তিন বিজিবি সদস্য পালিয়ে যায়। এসময় সুবেদার শহীদ সরোয়ার ও হাবিলদার ওয়াজেলকে ঘরের মধ্যে আটক করে রাখে গ্রামবাসী। এর ঘণ্টাখানেক পর ৩০-৪০ জন বিজিবি সদস্য একত্রিত হয়ে পুরো গ্রাম ঘিরে ফেলে গ্রামবাসীদের ওপর বেধড়ক লাঠিপেটা করে দুই নারীসহ ১৫ জনকে আহত করে। আটককৃত দুই বিজিবি সদস্যকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় বিজিবির গ্রেফতার আতঙ্কে পুরো গ্রাম পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে।

ঠাকুরপুর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার শহীদ সরোয়ার তিন রাউন্ড গুলি বর্ষণের সত্যতা স্বীকার করে জানান, নেপালের বাড়ি থেকে ৯ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গাস্থ-৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম মনিরুজ্জামান জানান, আটককৃত বিজিবি সদস্যদের উদ্ধার করতে গিয়ে দুই/একটি ছোটোখাটো ঘটনা ঘটতেই পারে।

কেএইচ