ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদের উপ-নির্বাচনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আতিকুল ইসলাম।
আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী শাফিন আহমেদসহ অন্য সকল প্রার্থীর জামানত বাতিল হয়েছে।
নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালার ৪১(৩) অনুসারে, সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের চেয়ে কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাতিলের বিধান রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ডিএনসিসি নির্বাচনে ৩০ লাখ ৩৫ হাজার ৫৯৯ ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ৯ লাখ ৪২ হাজার ৫৩৯টি। যার আট ভাগের এক ভাগ হলো ১ লাখ ১৭ হাজার ৮১৭ ভোট।
নির্বাচনে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. আনিসুর রহমান দেওয়ান আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ৬৯৫ ভোট, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টির শাহীন খান বাঘ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ৫৬০ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুর রহিম টেবিল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪০ ভোট।
অর্থাৎ তাদের কেউই প্রদত্ত ভোটের আটের এক ভাগ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাতিল করে সরকারি কোষাগারে সে অর্থ জমা দেবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
সিটি করপোরেশনের ভোটার সংখ্যা ২০ লাখের বেশি হলে জামানত দিতে হয় ১ লাখ টাকা। সে হিসেবে মেয়র পদে উপ-নির্বাচনে জামানত বাজেয়াপ্ত থেকে নির্বাচন কমিশনের আয় ৪লাখ টাকা।
বৃহস্পতিবারই ডিএনসিসির নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের সাধারণ নির্বাচন, দুইটি ওয়ার্ডে উপনির্বাচন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটির (ডিএসসিসি) নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের সাধারণ নির্বাচনের ভোট নেওয়া হয়।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে উপনির্বাচনের পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণে নতুন যুক্ত হওয়া ৩৬টি ওয়ার্ডেও ভোট গ্রহণ হয়। এছাড়া দুই সিটির ১২টি সংরক্ষিত নারী আসনেও আজ ভোট নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির এই নির্বাচনে মোট ৩২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মেয়র পদপ্রার্থী ছাড়া উত্তরের সম্প্রসারিত ১৮টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১১৬ জন ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৪৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তাদের মধ্যে ইতোমধ্যে উত্তরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে একক প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন এবং ২১ নম্বর ওয়ার্ডে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া, দক্ষিণ সিটির সম্প্রসারিত ১৮টি ওয়ার্ডের সাধারণ ওয়ার্ডে ১২৫ জন ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এমবি





