ভোলার বিভিন্ন নদনদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাবিত হচ্ছে। এতে তলিয়ে গেছে জেলার নিম্নাঞ্চল। জেলার বিভিন্ন এলাকায় পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়- ফসলি জমি, ঘরবাড়ি, পুকুর ও মাছের ঘের তলিয়ে যাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন অনেকেই। এছাড়াও চরফ্যাশনের বিচ্ছিন চর পাতিলা গ্রামে জোয়ারের পানিতে ২শিশুর মিত্যুার খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছে অন্তত ৭ জন।

আহতদের মুমুর্ষ অবস্থায় চরফ্যাশনের গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরা সবাই চর পাতিলা শরীফ পারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

স্থানীয় মেম্বার জানান, স্কুল ছুটি শেষে শিক্ষার্থীরা বাড়ী ফিরছিলো। এসময় জোয়ারের স্রোত তাদের বাসিয়ে নিয়ে য়ায়। এতে ২ শিশুর মৃত্যু হয়।

এছাড়াও জোয়ারের পানিতে সদরের রামদাসপুর, নাছির মাঝি, মাঝের চর, দৌলতখানের হাজিপুর, মেদুয়া, নেয়ামতপুর, বোরহানউদ্দিনের চর জহির উদ্দিন, মনপুরার কলাতলী, ঢালচর, সোনার চর, লালমোহন উপজেলার কচুয়াখালীর চর ও চরফ্যাশন উপজেলার কুকরী-মুকরী, ঢালচর সহ অর্থ শত গ্রাম জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

এসব এলাকার অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছে। জোয়ারের পানি যুক্ত হয়ে এসব এলাকা ২/৩ ফুট তলিয়ে যায়।

এমকে