ঢাকার নিকটে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে অবৈধভাবে তিতাস গ্যাস সরবরাহের লাইনে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।এঘটনায় তিনজন আহত হয়।
গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে শিল্পাঞ্চলের দোসাইদ এলাকার সাঙ্গু টেক্স গার্মেন্ট'র সামনে অবৈধভাবে সংযোগ দেওয়া গ্যাস লাইনে বিস্ফোরণের ঘটনায় ওই তিন শ্রমিক দগ্ধ হন। তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে সাভারের ল্যাবজোন হাসপাতালে নেওয়া হলেও অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পরে তাদেরকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।
অগ্নিদগ্ধ শ্রমিকরা হলেন সাঙ্গু টেক্স লিমিটেড কারখানার কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর মো. আনোয়ারুল (২৬), ফিনিশিং বিভাগের আয়রনম্যান আপন (২৫) একং কাটিং ইন্সপেক্টর মো. কামাল (২৮)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাত ১০টার দিকে সাঙ্গু টেক্স লিমিটেড কারখানার তিন শ্রমিক আনোয়ারুল, আপন এবং কামাল দোসাইদ বাজারের একটি দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন। এ সময় তারা সেখানে বসে ধূমপান করে দোকানের পাশে সিগারেটের শেষ অংশ ফেললে সেখানে অবৈধ গ্যাস সরবরাহের সংযোগ পাইপে ছিদ্র থাকায় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ওই তিন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হলে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
সাঙ্গু টেক্স লিমিটেড কারখানার ব্যবস্থাপক (অ্যাডমিন অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স) নাজমুল করিম বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে দোসাইদ এলাকার সিপাহী মাসুদ, রিয়াজুল, রাজু আহমেদসহ একটি চক্র নিন্মমানের পাইপ ব্যবহার করে এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে গ্যাস সংযোগ প্রদান করায় সংযোগে লিকেজ ছিল। আর সেখানে বসে ধূমপান করার পর আগুনযুক্ত সিগারেট লিকেজের স্থানে ফেলায় হঠাৎ আগুন লেগে যায়। এ ছাড়া অপ্রশস্ত রাস্তাটি দিয়ে বড় বড় কার্গো যাতায়াতের কারণে সংযোগের বিভিন্ন স্থান দিয়ে অনবরত গ্যাস বের হওয়ার কারণেও লিকেজ সৃষ্টি হতে পারে।"
সাভার ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর শেখ সাহাজুর রহমান জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিকাণ্ডের কারণ খুঁজে বের করার জন্য ফায়ার সার্ভিসের লোকজন কাজ করছে।
এইচ ই





