একদিনের সফরে চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার সকাল সোয়া ১০টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিশেষ হেলিকপ্টর চট্টগ্রাম সেনানিবাসে অবতরণ করে।
তিনি সেনাবাহিনীর ৩৪, ৩৬ ও ৩৮ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে জনসেবা ও জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ন্যাশনাল স্টান্ডার্ড অ্যাওয়ার্ড প্রদান করবেন।
প্রধানমন্ত্রী একই সময় সেনাবাহিনীর তিন ব্যাটেলিয়নের অধিনায়কদের হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দেবেন।
এর পর প্রধানমন্ত্রী দুপুর ১টায় চট্টগ্রামের মুরাদপুরস্থ বন্দরনগরীর দীর্ঘতম ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন। ৪৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ হাজার দুইশত মিটার দৈর্ঘের এ ফ্লাইওভারটি নির্মাণ কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিযুক্ত হয়েছে ম্যাক্স র্যাঙ্কিন জেভি।
সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুস ছালাম জানান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় ১২ নভেম্বর শুরু হয়ে এই ফ্লাইওভারটির নির্মাণ কাজ ২০১৬ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
নগরীর যানজট নিরসন ও এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে ২০১২ সালের ২ জানুয়ারি মুরাদপুর, ২ নাম্বার গেট ও জিইসি পর্যন্ত ফ্লাইওভারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, পরে পরামর্শক উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠান ডিডিসি, এসএসআরএম, ডিপিএম, কেভির পরামর্শক্রমে ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ বাড়িয়ে লালখানবাজর পর্যন্ত নেওয়া হয়। ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য বাড়ানোর ফলে একশত ৫০ কোটি ৭০ লাখ টাকার প্রাক্কলিত ব্যয় বেড়ে বর্তমানে এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৬২ কোটি টাকা।
ফ্লাইওভারটি মুরাদপুর থেকে ২ নাম্বার গেট হয়ে বায়েজিদ ও ২ নাম্বার গেট থেকে জিইসি- ওয়াসা হয়ে লালখান বাজারে শেষ হবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আগামীতে চট্টগ্রাম হবে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে আধুনিক শহর।
এই ফ্লাইওভারটি নির্মিত হলে চট্টগ্রামে আর যানজট থাকবে না। শহরের মূল মহাসড়কের ওপর যানবাহনের চাপ প্রায় ৫০ শতাংশ হ্রাস পাবে।
এসএইচ





