গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পেয়ে ৫টি ইউনিয়নের বিভিন্ন চর ও নিম্নাঞ্চলের ১৫টি গ্রামের অন্তত ২,০০০ পরিবার গৃহপালিত পশু-পাখি নিয়ে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

পানিবন্দী এলাকাগুলো হলো, কাপাসিয়া, কঞ্চিবাড়ি, হরিপুর, বেলকা চন্ডীপুর ইউনিয়নের নবাবগঞ্জ, কিশামত সদর, কানি চরিতাবাড়ি, রাঘব, চর চরিতাবাড়ি, উজান তেওড়া, বেলকা, পাড়া সাদুয়া, চর হরিপুর, ভাটি ও উজান বুড়াইল, বাদামের চর, ভাটি কাপাসিয়া, উত্তর শ্রীপুরের পোড়ার চর, পূর্ব লালচামার, কাজিয়ার চর, ছয় ঘড়িয়াসহ ২৮টি চর।

এদিকে, পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ওইসব এলাকায় সদ্য রোপণকৃত আমনের চারা, বীজতলা, তোষাপাট, তরিতরকারি ও ঘরবাড়িসহ গো খাদ্য পানির নিচে ডুবে গেছে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল মিয়া জানিয়েছেন উভয় নদীর পানি বিপদ সীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে, রোববার প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ শুরু হলেও তা অপ্রতুল বলে পানিবন্দী মানুষের দাবি। তারা জানান, এসব চরে পানিবন্দী মানুষের সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি।

ত্রাণ বিতরণকালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রাফা মোহাম্মদ আরিফ জানান, উপজেলা ত্রাণ বিভাগের তালিকা মতে ২,০০০ পরিবার পানিবন্দী হয়েছে। তাদের জন্য মুড়ি, গুড়, বিস্কুট, মোমবাতি, দিয়াশলাই, খাবার স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটসহ ২০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে।

কাপাসিয়া, কঞ্চিবাড়ি ও হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জু মিয়া, হাফিজুর রহমান ও মোজাহারুল ইসলাম জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফলে এসব নদী বিধৌত ইউনিয়নে মানুষজন পানিবন্দী হয়ে পড়ছে। এছাড়া হরিপুরের হাজিরর হাট, ছয় ঘড়িয়া, পূর্ব লাল চামার ও ভাটি কাপাসিয়ার আবাদি জমিসহ বাস্তুভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএইচ