সম্প্রতি ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে গাইবান্ধার তিস্তামুখ ঘাট পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীম স্পর্শ করেছে। ফলে নদী তীরবর্তী এলাকার কমপক্ষে সহস্রাধিক পরিবার মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে।
শনিবার সকালে সরজমিনে দেখা গেছে, গাইবান্ধা জেলার যমুনা, তিস্তা, করতোয়া ও ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। এতে করে সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার চরাঞ্চলের অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
এদিকে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দুই শতাধিক পরিবারের বসত ভিটা ও আবাদী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনের আতঙ্কে রয়েছে আরো শতশত পরিবার, স্কুল, আদর্শ (গুচ্ছ) গ্রাম, গো-হাট, বেসরকারী সংস্থাসহ অনেক স্থাপনা।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল আউয়াল মিয়া জানান, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমা (১৯ দশমিক ৮২ সে.মি) স্পর্শ করেছে।
এদিকে ভাঙ্গনে নদী তীরবর্তী এলাকার কমপক্ষে সহস্রাধিক পরিবার মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। সদ্য ভাঙ্গনের শিকার পরিবার গুলো অন্যের বাড়ীতে আশ্রয় এবং ওয়াপদা বাঁধে আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন।
টিজে/ এআর





