জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্র ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নাজিমুদ্দিন সামাদকে (২৮) পুরান ঢাকার সূত্রাপুরে একরামপুর মোড় এলাকায় বুধবার রাতে দুর্বৃত্তরা খুন করে পালিয়ে যায়।

পুলিশের ধারণা নাজিমুদ্দিনকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। কারণ তার মাথার ডান দিক থেকে খুলি মাথা থেকে আলাদা হয়ে গেছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ঘটনাস্থলে রক্তের পাশাপাশি সেখানে মাথার মগজ পড়ে আছে। তবে যেভাবেই খুন করা হোক না কেন খুনিরা প্রশিক্ষিত ও পেশাদার। পরিকল্পিতভাবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে খুন করে তারা পালিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী, তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও গোয়েন্দাদের কাছ থেকে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার সৈয়দ নুরুল ইসলাম জানান, ধারণা করা হচ্ছে হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত ও প্রতিশোধের জের ধরে।

ঘটনাস্থল থেকে গুলির এক রাউন্ড খালি খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কাউকে শনাক্ত কিংবা আটক করা যায়নি।

সূত্রাপুর থানার ওসি তপন কুমার সাহা জানান, হত্যাকাণ্ডের ধরন দেখে মনে হচ্ছে খুনিরা প্রফেশনাল ও পরিকল্পিতভাবেই হত্যাকাণ্ডটি করা হয়েছে। তার মাথার খুলি ডান পাশ থেকে আলাদা হয়ে গেছে।

তাকে গুলি করে নাকি কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে বলা যাবে। এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। সিলেট থেকে তার পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় আসলেই মামলা করা হবে।

সূত্রাপুর থানার এএসআই আব্দুল আওয়াল জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে বুধবার রাত ৯টার দিকে একরামপুর মোড় এলাকার রাস্তার পাশে পড়ে থাকা লাশটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, বুধবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার দিকে তিন-চারজন যুবক এসে নাজিমুদ্দিনকে খুন করে পালিয়ে যায়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ওএ