গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নের বেউর গ্রাম দখিল মাদ্রাসার সুপার ইসাহাক আলী ও মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইউনুস আলী সরকার বাংলা ও সমাজ বিজ্ঞান শূন্য পদে ৯ লক্ষ করে দুটি পদে ১৮লক্ষ টাকা নিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া চুড়ান্ত করেছে।
এতে মাদ্রাসার মানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য ফরিদা বেগমসহ এলাকাবাসী বেউরগ্রাম দাখিল মাদ্রাসায় অবৈধ ভাবে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে গত ২৯ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরারবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
পত্রিকায় নিয়ম বর্হিভূত অবৈধ পেপারিং করায় অনেক প্রার্থী এই বিজ্ঞপ্তি জানতে না পেরে অবেদন করতে পারেনি।
গোপনীয় ভাবে দুটি প্রার্থীর কাছ থেকে ১৮লক্ষ টাকা নিয়ে প্রার্থী সিলেকসন করে রাখায় মেধাবী প্রার্থীরা আবেদন করলেও তাদেরকে এডমিড না দেওয়ায় পরিক্ষা দিতে পারেনি। এলাকার অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, মাদ্রাসাটি একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলে হওয়ায় এখানে কোন দিন সরকারী কর্মকর্তা ভিজেটে আসেন না বলে দুপুর ১টা বাজার সাথে সাথেই বেশীর ভাগ দিন ছুটি দেয়া হয়। সুপার খেয়াল খুশি মত মাদ্রাসায় আসেন ও যান এ যেন দেখার কেউ নেই।
এর আগে এই মাদ্রাসায় ৪টি পদে ওই সুপার ও সভাপতি মিলে শিক্ষক নিয়োগ করে ৫০লক্ষ টাকা নেন। তার মধ্যে ২ লক্ষাধিক টাকার লামছাম মাদ্রাসার কাজ করে বাকী ৪৮লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। ফলে সে সময় মাদ্রাসার কমিটির বিরুদ্ধে সোচ্চার এলাকার অভিভাবকদের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করেন।
সেই মামলা থাকার কারণে আর সভাপতি হতে পারবেন না এ কারনে তরিঘড়ি করে নিয়োগ বানিজ্য ব্যবস্থা করে এ মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
এ মাদ্রসায় নিয়োগকে কেন্দ্র করে এলাকার ৩ প্রার্থী পরিক্ষা দিতে না পারা ও এসব দুর্নীতি-অনিয়ম করায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে মাদ্রাসা সুপার ইসাহাক আলী এর আগে ৪টি শিক্ষক নিয়োগ করার কথা স্বীকার করে বলেন, এখন যে দুটি পদে শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে এহা অবৈধ হলেও সভাপতি বুঝবে বৈধ হলেও সভাপতি বুঝবে। আমি কোন নিয়োগের টাকা পয়সা নেইনি। কার কাছ থেকে কত টাকা নেয়া হয়েছে এও সভাপতির কাছে। এসব দুর্নীতি-অনিয়ম বন্ধ করতে সুষ্ঠ তদন্ত দাবী করেছেন এলাকাবাসী।
এব্যাপারে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফজলে সাথে এলাকাবাসী যোগাযোগ করলে তাদের সাথে দুঃব্যবহার করা হয়েছে বলে জানান।
এমএ





