নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় মুসলিম জনতার উদ্যোগে সোমবার দুপুরে মায়ানমারে সন্ত্রাসী কর্তৃক রোহিঙ্গা মুসলিম গণহত্যা,ধর্ষণ ও অমানবিক নির্যাতনের প্রতিবাদে গণ মিছিল বের করা হয়।

মিছিলের শুরুতে দুই শতাধিক মুসলিম অংশ গ্রহন করলেও পরে হাজার হাজার মানুষ মিছিলে অংশ নিল মিছিলটি জনতার ঢল পরিপূর্ণ করে তোলে।

কিশোরগঞ্জ বাজার’ বায়তুন্নুর জামে মসজিদের সামনে থেকে এ গণ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে কিশোরগঞ্জ মুন্সিপাড়া মোড়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।

উপজেলা মুসলিম জনতার আহবায়ক আবু তাহেরের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক শিব্বির আহমেদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা ওয়লামা মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি মাওলানা আফজালুল হক।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন মুসলিম জনতার উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজ সেবক রশিদুল ইসলাম বাবু,এ কে এম তাজুল ইসলাম ডালিম, কিশোরগঞ্জ দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গেনেট বাবু,বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ মোঃ সহিদুল ইসলাম,বিশিষ্ট কাপড় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়ারেছ প্রমূখ।

প্রতিবাদ সমাবেশে যুগ্ম আহবায়ক শিব্বির আহম্মেদ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,আজ গোটা মুসলিম জাতীর জন্য এরদোগান এক উজ্জল দৃষ্টান্ত’  স্তাপন করেছেন।

তিনি বাংলাদেশ সরকারকে আশ্বস্ত করে বলেছেন মায়ানমারের মুসলমানদের আশ্রয় দিয়ে সহযোগীতা করলে প্রয়োজনে তার দেশ থেকে সৈন্যবাহিনী দিয়েও বাংলাদেশ সরকারকে সহযোগীতা করবেন।

ইতিপূর্বে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ সরকারকে ১০হাজার মেট্রিকটন চাল দিয়ে সহযোগীতা করেছেন। শিব্বির আহম্মেদ কঠোর সমালোচনা করে বলেন,আমাদের দেশের কিছু নামধারী মুসলমান এরদোগানের সমালোচনায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

আজ এ গণ মিছিল প্রমান করেছে বিশ্বের যে কোন মুসলমানদের উপর অন্যায় ভাবে আঘাত করলে কোন মুসলমান তা সহ্য করবে না।

তিনি সকল দেশের মুসলমানদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুসলমানদের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করার উদাত্ত আহবান জানান। পরিশেষে দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে গণ মিছিলের সমাপ্তি ঘটে।

এএস