জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে চট্টগ্রামে জেএমবি নেতা সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাইয়ের দুই 'সহযোগী'সহ সন্দেহভাজন তিন জঙ্গিকে গ্রেফতারের দাবি করেছে পুলিশ।

বুধবার ও বৃহস্পতিবার রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলার মসজিদ্দা ও চট্টগ্রাম নগরীর শেরশাহ এলাকায় অভিযান চালিয়ে সীতাকুণ্ড ও রাউজান থানা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

পুলিশ বলছে, গ্রেফতার তিনজনের মধ্যে জুলফিকার আলী (৪০) ও মো. আলাউদ্দিন (৩১) নিষিদ্ধ সংগঠন জেএমবির সদস্য। তাদের বাড়ি সীতাকুণ্ড উপজেলার মসজিদ্দা এলাকায়।

আর রাউজানের বাসিন্দা মহিবুল আলমকে (২৬) হিযবুত তাহরিরের সদস্য বলছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, 'সীতাকুণ্ড থেকে গ্রেফতার দুই জেএমবি সদস্য বাংলা ভাইয়ের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। পরে তারা আনসার উল্লাহ বাংলা টিমে যোগ দিয়েছিল।'

তাদের দু'জনের বিরুদ্ধে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

রাউজান প্রতিনিধি জানান, সরকার বিরোধী লিফলেটসহ মহিবুল আলম (২৬) নামে হিযবুত তাহরিরের এক সদস্যকে আটক করেছে রাউজান থানা পুলিশ।

আটকের পর শুক্রবার কঠোর নিরাপত্তায় তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

উপজেলার হলদিয়া এলাকার বাসিন্দা মহিবুল আলম ২০১৩ সালে জঙ্গি কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নগরীর কোতোয়ালি থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। সে ঘটনায় দীর্ঘদিন জেল খাটার পর জামিনে সম্প্রতি তিনি মুক্তি পান।

বাড়ি ফিরে আবারও একই কাজে জড়িয়ে পড়েন। গত বৃহস্পতিবার পুলিশ গোপন সংবাদে রাউজান থানার ওসি কেপায়েত উল্লাহর নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাকে আটক করে।

এ সময় তার কাছ থেকে সরকার বিরোধী ৬৫০ পিস লিফলেট জব্দ করে আলামত হিসেবে থানায় নিয়ে আসে।

পুলিশের দাবি, আটক মহিবুল বাংলা ভাইয়ের সহযোগী ছিল। তার বিরুদ্ধে রাউজান থানার উপপরিদর্শক আল আমিন বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করে শুক্রবার আদালতে সোপর্দ ক

পরে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেয় বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম।

চট্টগ্রামে এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু চট্টগ্রামে খুন হওয়ার পর গত ১০ জুন সারা দেশে পুলিশের এই জঙ্গিবিরোধী অভিযান শুরু হয়।