দুটি কোম্পানী সরবরাহ বন্ধ রাখায় বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলের ১৪ জেলায় সরকারি লিকুইড পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। দ্বিগুণ দাম দিয়েও গ্যাস মিলছে না। ভোক্তারা গ্যাসের জন্য সিলিন্ডার নিয়ে ডিলারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

বাধ্য হয়েই তাদের উচ্চ দরে বেসরকারি কোম্পানীর গ্যাস কিনতে হচ্ছে। এতে ওইসব কোম্পানী লাভবান হলেও সরকার বিপুল অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে।

রাজশাহী বিভাগীয় এলপি গ্যাস পরিবেশক সমিতি এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে সোমবার বিপিসির চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দিয়েছে।

সমিতির নেতারা অভিযোগ করছেন, বেসরকারি কোম্পানীগুলোকে সুবিধা দিতেই এ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে।

রাজশাহী বিভাগীয় এলপি গ্যাস পরিবেশক সমিতির সূত্র জানান, গত দুই মাস থেকে যমুনা ও মেঘনা অয়েল কোম্পানী সিলিন্ডার সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। পদ্মা অয়েল কোম্পানী মাসে মাত্র আড়াই হাজার সিলিন্ডার দিচ্ছে।

এর ফলে ১৪ জেলায় সরকারি এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ৭২০ টাকা মূল্যের সিলিন্ডার দ্বিগুণ দামেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে অধিক দরে বেসরকারি কোম্পানীর গ্যাস কিনছেন।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক আহসানুর রশিদ ডাবলু জানান, কোম্পানীর কতিপয় স্বার্থন্বেষী উর্ধতন কর্মকর্তার যোগসাজসে যমুনা ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম কোম্পানী উত্তরাঞ্চলে বরাদ্দ অধিকাংশ গ্যাস বাঘাবাড়ি ডিপোতে পাঠাচ্ছে। এতে বগুড়া ডিপোর আওতাধীন ১৪ জেলায় গ্যাসের তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে কোম্পানীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়ে এবং মৌখিকভাবে জানালেও তারা ত্রুটিপূর্ণ ও কম গ্যাস থাকা সিলিন্ডার না নেয়াসহ নানা অজুহাত দেখাচ্ছেন। বাধ্য হয়ে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে সোমবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ডিলাররা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন বলে জানান আহসানুর রশিদ ডাবলু।

এআই