২০ দলীয় জোটের ডাকা লাগাতার অবরোধের ১৫তম দিনেও বগুড়ার সাথে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বগুড়া থেকে বাস বা ট্রাক চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া শহরের ভেতরে রিকশা ও ব্যাটারিচালিত রিকশা ছাড়া কোনো যানবাহন নেই। অবরোধের সমর্থনে সকালে বিভিন্ন স্থানে মিছিল, সমাবেশ ও পিকেটিং করেছে জোটের নেতাকর্মীরা ।
যৌথবাহিনীর টহলের মধ্যে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ছয়টি পণ্যবাহী ট্রাকে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে বগুড়া-ঢাকা, বগুড়া-নাটোর, বগুড়া-নওগাঁ এবং বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে এসব ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া তারকাঁটায় চাকা ফুটো হয়ে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে বিকল হয়ে পড়ে আছে অসংখ্য যানবাহন।
প্রত্যদর্শীরা জানায়, সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বগুড়া শহরতলির চারমাথা এবং ঝোপগাড়ি এলাকায় দুটি পণ্যবাহী ট্রাকে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বগুড়া-ঢাকা মহাসড়কের শাজাহানপুর উপজেলার ফটকী ব্রিজ এলাকায় একটি সবজি-বোঝাই ট্রাকে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। একই সময়ে বগুড়া-নওগাঁ সড়কে সদর উপজেলার এরুলিয়া এলাকায় একটি এবং বগুড়া-ঢাকা মহাসড়কে শেরপুরের ঘোগা বটতলা এলাকায় একটি ট্রাকে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
এ ছাড়া রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বগুড়া-নাটোর মহাসড়কের নন্দীগ্রাম উপজেলার বুরইল এলাকায় একটি পণ্যবাহী ট্রাকে আগুন দেয়া হয়।
মহাসড়কে টহল ডিউটিতে থাকা শাজাহানপুর থানার এসআই আব্দুর রহিম জানান, ফটকী ব্রিজের কাছে দুর্বৃত্তরা সবজিবাহী ট্রাকে আগুন দেয়ার পরপরই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিভিয়ে ফেলে।
এদিকে বগুড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া লোহার কাঁটায় চাকা ফুটো হয়ে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য যানবাহন বিকল হয়ে পড়ে আছে।
বগুড়া সদর থানার ওসি আবুল বাসার জানান, সদর থানা এলাকায় একটি ট্রাকে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে সিএনজি-চালিত অটোরিকশায় অগ্নিসংযোগের খবর তার জানা নেই।
এএইচ





