খুলনার সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট শেখ তৈয়েবুর রহমান (৮২) আর নেই। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে খুলনার নারগিস মেমোরিয়াল ক্লিনিকে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ... রাজিউন)।
শুক্রবার রাত পৌনে ১১টায় মহানগরীর গগনবাবু রোডের নিজ বাসভবনে অসুস্থ হয়ে পড়লে তৈয়েবুর রহমানকে পাশের নারগিস মেমোরিয়াল ক্লিনিকে নেয়া হয়। সেখানে প্রায় ১০ মিনিট থাকার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তৈয়েবুর রহমানের তিন মেয়ে ও এক ছেলে। ছেলে ঢাকায় এবং তিন মেয়ে দেশের বাইরে থাকেন। মৃত্যুর সময় তার স্ত্রী পাশে ছিলেন।
মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানান, শনিবার (২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর হাদিস পার্কে মরহুমের প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। বাদ আসর বাগেরহাটের করোরী গ্রামে নিয়ে পারিবারিক কবরস্থানে শেখ তৈয়্যেবুর রহমানকে দাফন করা হবে।
১৯৩৬ সালের ২১ অক্টোবর বাগেরহাট সদরের কররী গ্রামে মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। সাবেক রাষ্ট্রদূত শেখ তৈয়্যেবুর রহমান বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
১৯৬৩ সালে তিনি আইন ব্যবসায় যোগ দেন। জীবনের শুরুতেই ন্যাপের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে জাগদল ও বিএনপিতে যোগদান করেন। তিনি সেনেগালসহ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। ১৯৯১ সালে কেসিসি’র মনোনীত, ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে মেয়র নির্বাচিত হন।
মেয়র থাকা অবস্থায় সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবন, পদ্মার এপারে নারী শিক্ষার সর্ববৃহৎ কলেজিয়েট স্কুলসহ আধুনিক খুলনার অবকাঠামোগত বিভিন্ন উন্নয়ন করেছেন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
একটানা ১৯ বছর রাষ্ট্রীয় পতাকা বহন করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট শেখ তৈয়্যেবুর রহমান। শেষ বয়সে এসে তার শরীরে নানা অসুখ বাসা বাঁধে। একাকী চলার শক্তিও হারিয়ে ফেলেন।
এআই





