কুষ্টিয়ায় গড়াই নদে গোসল করতে নেমে ডুবে মারা গেলেন সজীব হোসেন (১৯) নামে এক কলেজছাত্র। তিনি কুষ্টিয়া ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কলেজের টেক্সটাইল বিভাগের চতুর্থ সেমিস্টারের ছাত্র ছিলেন।

বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে শহরের রেনউইক যজ্ঞেশ্বর বাঁধসংলগ্ন গড়াই নদে গোসল করতে নেমে পানিতে তলিয়ে যান সজীব। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বিকাল সাড়ে চারটায় তার লাশ পাওয়া যায়।

সজীবের বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক ৪০ জন বন্ধু মিলে গড়াই নদের পাশে রেনইউক বাঁধে বালুচরে ফুটবল খেলতে যান। একই সঙ্গে সেখানে তারা পিকনিকেরও আয়োজন করেন।

খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে বন্ধু সজীব হোসেন নানাবাড়ি খুলনা থেকে কুষ্টিয়ায় চলে আসেন। দুপুরে ফুটবল খেলা শেষে সজীবসহ বেশ কয়েকজন বন্ধু গড়াই নদে গোসল করতে নামেন।

তাদের মধ্যে ওয়ামিন, তরুণ, হৃদয় ও সজীব নদীর পানির স্রোত ও পাকে পড়ে গভীরে চলে যান।
অনিক আল হাসান নামে এক ছাত্র বলেন, তরুণ, হৃদয় ও ওয়ামিনকে তীরে তোলা গেলেও সজীব তলিয়ে যান।

স্থানীয় লোকজন জাল ফেলে বিকাল সাড়ে চারটার দিকে সজীবকে উদ্ধার করে।

সজীবের একমাত্র বোন সুমি খাতুন জানান, বাবা আবদুল লতিফ সুদানে থাকেন। তারা দুই ভাই এক বোন। সজীব ভাইদের মধ্যে বড় ছিল। সজীব সাঁতার জানত না। তাদের বাড়ি পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রুপপুর গ্রামে।

একই স্থানে ২০১২ সালের ২৭ জুলাই কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র ফরিদুল হাসান (২০) ও রিফাত মজুমদার (২০) গোসল করতে নেমে ডুবে মারা যান। ওই ঘটনার পর ওই স্থানটিকে বিপৎজনক হিসাবে চিহ্নিত করে সাইন বোর্ড লাগানো হয়েছিল। তবে ওই বোর্ডটি কবে হারিয়ে গেছে, কেউ জানে না।

ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ