রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক একেএম শফিউল ইসলামের হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে রাতভর অভিযান চালিয়ে আরও অন্তত ৩০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার সকাল ৮টার দিকে নগরীর মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর হোসেন একথা জানান।
এর আগে রোববার বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জামায়াত-শিবির নিয়ন্ত্রীত প্রতিষ্ঠান 'ইসলামীয়া কলেজ'র অধ্যক্ষসহ মোট ১৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
এ বিষয়ে মতিহার থানার ওসি আলমগীর হোসেন বলেন, ড. শফিউলের হত্যাকারীদের আটক করতে একসঙ্গে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ, মতিহার থানা পুলিশসহ অনেকগুলো টিম কাজ করছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মির্জাপুরের রিমা ছাত্রাবাস থেকে ৫ শিক্ষার্থীসহ সারারাত অভিযান চালিয়ে বিনোদপুর, মির্জাপুর, কাটাখালি, চৌদ্দপাই সহ বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ৩০ জনকে আটক করা হয়।
ওসি বলেন, এর আগে মহানগর পুলিশের একটি দল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ‘ইসলামীয়া কলেজ'র অধ্যক্ষ হুমায়ুন আহম্মেদসহ মোট ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
তবে তদন্তের স্বার্থে এখন তাদের নাম বলা যাবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন। এপর্যন্ত আটকের সংখ্যা প্রায় অর্ধশত। আটককৃতদেরকে মহানগর গোয়েন্দা কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন চৌদ্দপাই এলাকায় শিক্ষক হত্যাকাণ্ডে দু'জন অংশ নেয় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
রাতে ঘটনার প্রত্যাক্ষদর্শী হাসিব ও দিপু নামের দু'জনকেও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। অভিযান অব্যহত আছে, সন্দেহজনক কিছু মনে হলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, শনিবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে চৌদ্দপাই এলাকায় জঙ্গি বাহিনীর হামলায় গুরুত্বর আহত হন অধ্যাপক ড. শফিউল ইসলাম। পরে চিকিংসাধিন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ হত্যার ঘটনায় রোববার রাবি রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এন্তাজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
এআর





