দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান বলেছেন, দুর্নীতি বিরোধী সংগ্রামে দুদক পুরোপুরি সফল হতে পারেননি। তবে একেবারে ব্যার্থ হয়নি।
বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে জিআইজেড বাংলাদেশের সহযোগিতায় ‘দুর্নীতি প্রতিরোধ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদপত্র বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুদক চেয়ারম্যান এ কথা বলেন।
দুদক সচিব মো. মাকসুদুল হাসান খানের সভাপতিত্বে ও উপ-পরিচালক মো. আক্তার হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু, কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. নাসিরউদ্দীন আহমেদ, মহাপরিচালক ড. মো. শামসুল আরিফিন, জিআইজেড বাংলাদেশের প্রতিনিধি টম ফানমুলারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চেয়ারম্যান বলেন, ১৯৪৭ সাল (পাকিস্তান আমল) থেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলছে। আর এ লড়াই চলতে থাকবে। তবে এ লড়াইয়ে এ প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি সফল হতে পারেনি।
তিনি বলেন, দুদক এখন দুর্নীতি দমনের চেয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধের উপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সারাবিশ্বেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্যের বিষয় দুর্নীতি প্রতিরোধে অন্যান্য দেশ অনেক এগুচ্ছে। কিন্তু আমরা ওইসব দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগুতে পারিনি।
চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান বলেন, সমাজে খারাপ লোকদের সঙ্গে সৎ ও ভাল লোকজনকেও বসবাস করতে হয়। ফলে সমাজের খারাপ লোকদের নানা অনিয়ম, দুর্নীতি আর জালিয়াতিসহ তাদের কার্যক্রম চিহ্নিত করাই দুদকের কাজ।
তিনি বলেন, জেলা-উপজেলায় ভাল লোকগুলো নিয়ে দুদক (আমরা) দুর্নীতি পতিরোধ কমিটি করেছি। আর ওই প্রতিরোধ কমিটির সদস্যরা অরাজনৈতিক ও সমাজের সম্মানিত ব্যক্তি।
পরে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুযারি পর্যন্ত প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া ২৯ জন কর্মকর্তার হাতে প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদ তুলে দেন দুদক চেয়ারম্যান।
একে/কেএইচ





