সুনিদিষ্ট নীতিমালা ও আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আপন জুয়েলার্সের স্বর্ণ ফেরত না দিলে আগামী ১১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব জুয়েলারির দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
বুধবার দুপুর ৩টায় রাজধানীর বাইতুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটে বাজুস কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ধর্মঘটের ডাক দেয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠনটি। একই সঙ্গে তারা শুল্ক ও গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খানের অপসারণও দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বাজুসের সহসভাপতি এনামুল হক খান বলেন, আগামী ১২ তারিখ স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা পদযাত্রার মাধ্যমে বাইতুল মোকাররম মার্কেট থেকে সচিবালয় অভিমুখে যাবে। ওই দিন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। এছাড়াও ১৫ জুন মহাসমাবেশের ঘোষণাও দেন তিনি।
বাজুসের সহসভাপতি বলেন, স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা এখন কঠিন অচল অবস্থার মধ্যে দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছে। আমরা এখন ঠিকমতো কর্মচারীদের বেতন-ভাতাও দিতে পারছি না। ৪০ বছর ধরে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করা আপন জুয়েলার্সকে বনানী ইস্যুতে জড়িয়ে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে।
এনামুল হক আরো বলেন, ‘আপন জুয়েলার্স যে উপায়ে স্বর্ণ সংগ্রহ করেছে আমাদের সব স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা একই উপায়ে স্বর্ণ সংগ্রহ করেছে। কাল আমাদেরকেও যদি একইভাবে হেনস্তা করা হয় তাহলে আমরা কোথায় যাব। এটা এক ধরণের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস।’
তিনি বলেন, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মইনুল খান প্রতিদিনই সংবাদ মাধ্যমকে ডেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের জড়িয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছেন। এতে করে সাধারণ ক্রেতারা এখন আর স্বর্ণ অলঙ্কার কিনতে আসছে না। তারা আতঙ্কিত হচ্ছেন। এতে করে এ খাতের সাথে জড়িত ২৮ লাখ পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তাই আমরা তার অপসারণ চাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সভাপতি গঙ্গা চরন মালাকার, আমিনুল ইসলাম শাহীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এমএনজে





