নড়াইলের মাইজপাড়া ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ে ব্যবহারিক পরিক্ষায় ফেল করানোর ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে আইসিটি শিক্ষক শচীদানন্দ মন্ডলের বিরূদ্ধে।

প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, আইসিটি শিক্ষক শচীদানন্দ মন্ডল শচী আইসিটি ব্যবহারিক পরীক্ষায় ফেল করানোর হুমকি দিয়ে ২২৮জন পরীক্ষার্থীর নিকট হতে ১শ টাকা করে উৎকোচ আদায় করেছেন। তাছাড়া তিনি কলেজ এলাকার মাইজপাড়া বাজারের মুন্না লাইব্রেরী ও সঞ্জয় লাইব্রেরীর মাধ্যমে ৩০ টাকা দামের ব্যবহারিক খাতা ১০০ টাকা করে বিক্রি করেছেন।

এ খাতা প্রিন্টেড থাকায় পরীক্ষার্থীরা তা কিনতে আপত্তি জানালে তাদের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন এই শিক্ষক। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ সাধারণত ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতা ফাঁকা থাকে। সেই খাতায় স্ব স্ব পরীক্ষার্থীকে লিখতে হয়। কিন্তু এ খাতা প্রিন্টিং হওয়ায় লেখার কোন সুযোগ নেই। তাই এ খাতা কিনতে আপত্তি করলে প্রকাশ্যেই ফেল করানোর হুমকি দিয়ে বাড়তি দামের প্রিন্টিং খাতা কিনতে শিক্ষক আমাদের বাধ্য করেন ।

এভাবে খাতা বিক্রি করে ও উৎকোচ আদায় করে অর্ধ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন দুর্নীতিবাজ শিক্ষক শচীদানন্দ মন্ডল।

উৎকোচ নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযুক্ত শিক্ষক শচীদানন্দ মন্ডল জানান, খাতা প্রিন্টিং থাকায় পরীক্ষার্থীদের কষ্ট করে লিখতে হয় না। তাই প্রিন্টিং খাতা কিনতে বলা হয়েছে।

মাইজপাড়া বাজারের সঞ্জয় লাইব্রেরী ও মুন্না লাইব্রেরীতে গেলে তারা বলেন, শিক্ষক শচী তাদের দোকানে আইসিটি ব্যবহারিক খাতা রেখে ১শ টাকা করে বিক্রয় করিয়ে সমুদয় টাকা নিয়ে নিয়েছেন।

মাইজপাড়া ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ কৃষ্ণপদ সাহা বলেন পরীক্ষার্থীদের নিকট অধিক মূল্যে ব্যবহারিক খাতা বিক্রি ও উৎকোচ আদায়ের বিষয়টি জিবি’তে জানানো হয়েছে। জিবি’র সিদ্ধান্ত মোতাবেক শিক্ষক শচীদানন্দ মন্ডলের বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেড