বাংলাদেশে সরকারি দল আওয়ামী লীগের এক নেতা আরজু মিয়াকে হত্যার অভিযোগে র্যাবের এক সিনিয়র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করার পর নিহতের ভাই বলছেন, "আগে আটক করে তারপর তাকে একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে"
ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় ছাত্রলীগ নেতা আরজু মিয়াকে গত ১৭ই আগস্ট এক হত্যা মামলায় র্যাব আটক করে নিয়ে যাওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
আরজু মিয়ার ভাই মাসুদ রানা বলেছেন, “বিকেল পাঁচটা থেকে সাড়ে পাঁচটায় আমার ভাইকে গ্রেফতার করা হয় কিন্তু তার বিরুদ্ধে যে মামলাটি হয়েছে সেটি রাত সাড়ে নটার দিকে করা হয়েছে”
র্যাবের পক্ষ থেকে কথিত বন্দুকযুদ্ধের ব্যাখ্যা দেয়া হলেও, মাসুদ রানা অভিযোগ করেছেন, "আরজুকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে"
তিনি আরো বলছেন, সেই অভিযোগে মামলা করতে গিয়ে তিনি প্রথমে পুলিশের কাছ থেকে সহযোগিতা পাননি। পরে তিনি নালিশী মামলাটি করেন।
আরজু মিয়াকে অপহরণের পর গুলি করে হত্যার অভিযোগে র্যাব-২ এর পরিচালক এবং পুলিশের দুজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন মাসুদ রানা।
এ মামলার বিষয়ে ২৫শে অগাস্ট পরবর্তী আদেশ দেয়া হবে বলে জানিয়েছে আদালত।
নিহত আরজু মিয়া ছাত্রলীগের হাজারীবাগ থানার সভাপতি এবং ওই এলাকায় ১৬ বছরের এক কিশোরকে চুরির অভিযোগে পিটিয়ে মেরে ফেলার ঘটনায় তাকে প্রধান আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সূত্র: বিবিসি
এআর





