ময়মনসিংহের ভালুকায় ৬ তলা ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় ঢাকা মেডিকেলে দগ্ধ অবস্থায় সর্বশেষ টিকে থাকা দীপ্তও চলে গেলে না ফেরার দেশে। এর আগে হাফিজুর ও শাহীনের মৃত্যু হয়।
এ নিয়ে এই বিস্ফোরণের ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হলো। দীপ্ত ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিল। তার শরীরের প্রায় ৫৮ ভাগ ভাগই দগ্ধ হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে একই ঘটনায় দগ্ধ হাফিজুর রহমান মারা যান। ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গত শনিবার দিবাগত রাতে ভালুকার মাস্টার বাড়ি এলাকার একটি ৬ তলা ভবনের ৩ তলায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে একজন নিহত ও তিনজন দগ্ধ হয়। পরে দগ্ধ তিনজনকে রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতে মারা যান দগ্ধ শাহীন। এদিকে, ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ হতে চললেও বিস্ফোরণের সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে বাড়ির মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানায়, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে এমনটি ঘটতে পারে। তবে ঢাকা থেকে বোমা ডিস্পোজাল টিমের সদস্যরা ঘটনাস্থলে না পৌঁছা পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না।
পুলিশ জানায়, হতাহতরা খুলনা ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (কুয়েট) ছাত্র। মাষ্টারবাড়ির স্কয়ার ইন্ডাষ্ট্রিজে এরা ইন্টার্ন করছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনার ১০ দিন আগে খুলনা ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (কুয়েট) ৪ ছাত্র এই ভবনের তিনতলায় ভবনের একটি রুম ভাড়া নেয়। ভবনটির নিচতলায় ওয়ালটনের শো-রুম রয়েছে এবং ওপরের ফ্ল্যাটগুলো আবাসিক ভাড়া দেয়া।
জেড





