চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত ইউনিয়ন পাঁকায় দুই ছাত্রীকে খুনের ঘটনায় আরেক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া বাবলু (৩৪) শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের ঝাইলপাড়া গ্রামের জামরুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় এর আগে দুই নারীকে গ্রেফতার করা হয়।

শিবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক নূরে-আলম সিদ্দিকী জানান, হত্যাকাণ্ডের এলাকা শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের দোভাগী গ্রামের লোকজন রোববার দুপুর দেড়টার দিকে বাবলুকে তার শ্বশুর বাড়ি দুর্লভপুর ইউনিয়নের দাদনচক থেকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরে সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করে থানায় আনা হয়।

তিনি আরো বলেন, স্থানীয় লোকজনের ধারণা, ওই হত্যাকাণ্ডে বাবলুর সম্পৃক্ততা রয়েছে। কারণ মূল ঘাতকদের সঙ্গে বাবলুর চোরাকারবারির ব্যবসা রয়েছে এবং দুই শিশু হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন আগে তারা এক সঙ্গে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসে। সম্ভবত ভারতে বসেই তারা হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে।

বাবলুকে থানা হাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এর আগে বৃহস্পতিবার ঝাইলপাড়া গ্রামের আরিফের স্ত্রী মেসনারা বেগম (৩০) ও আনারুলের স্ত্রী আক্তারা বেগম (২৫) কে তাদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

গত ২৮ মার্চ শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের কানছিড়া ডাক্তারপাড়া গ্রাম থেকে চরবাবুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী আশরাফুলের মেয়ে আঁখি (৯) ও একই গ্রামের আব্দুল লতিফের মেয়ে লতিফা (৯) নিখোঁজ হয়। সেদিনই তাদের হত্যা করে কিডনিসহ অঙ্গপ্রতঙ্গ নিয়ে যায় ঘাতকেরা। ঘটনার চারদিন পর ১ এপ্রিল ওই এলাকার একটি ভুট্টা ক্ষেত থেকে তাদের গলিত ও খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ।

ইআর