ছাত্রলীগ নেতার মোটরসাইকেল আটকের ঘটনায় কক্সবাজার সদর থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এতে বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ ঘটনায় দুজন গুলিবিদ্ধসহ ৫ জন আহত হয়েছে।
শুক্রবার রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকালে প্রধান সড়কের ফজল মার্কেট এলাকায় লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেল আটক অভিযান চালাচ্ছিলো পুলিশ। শহর ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক উপ-সম্পাদক এরফানুল হক হিমু মোটরসাইকেল নিয়ে তখন ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। এসময় পুলিশ তার মোটরসাইকেল আটক করে হিমুকে থানায় নেয়।
খবর পেয়ে ইফতারের পর জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আলী আহমদ থানায় গেলে তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ এনে মিছিল করে ছাত্রলীগ। পরে পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। এসময় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা পুলিশের কাভার্ডভ্যান, টমটম, রিকশা, মোটরসাইকেলসহ কয়েকটি যানবাহনে ভাঙচুর করে। এছাড়া তারা ট্রাফিক পুলিশ অফিস ও সিআইডি অফিসেও ভাঙচুর চালায়।
এসময় পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশের লাঠিচার্জে সংবাদকর্মী মাহবুবর রহমান ও এক ছাত্রলীগ কর্মী গুলিবিদ্ধসহ ৫ জন আহত হয়। পরে শহরের প্রধান সড়ক অবরোধ করে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা।
ঢাকা, ১৮ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) জেএ





