বুড়িগঙ্গার দূষণ ও  দখলে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিরাই দায়ী এবং সরকারের মদদপুষ্টরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের অনেকটা নাকের ডগায় এ অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
আজ শনিবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বুড়িগঙ্গা রিভার কিপারের আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এ অভিযোগ করেন। ‘বুড়িগঙ্গা নদীর সর্বশেষ অবস্থা ও করণীয়’ শীর্ষক এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 
বক্তারা অভিযোগ করেন, দখল-দূষণ প্রতিনিয়ত চলছে আর সরকার তাকিয়ে দেখছে। নদীটি রক্ষায় সরকারের ব্যর্থতা ১০০ ভাগ, যদিও তাদের দায়িত্ব রয়েছে ১০০ ভাগ।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1391846297.jpg[/img]
রিভার কিপার শরীফ জামিল বুড়িগঙ্গা দখলের চিত্র তুলে ধরে বলেন, এখন বুড়িগঙ্গার দ্বিতীয় চ্যানেলটির প্রতিটি জায়গায় দখল চলছে। রায়েরবাজার বধ্যভূমি থেকে লালবাগের লোহারপুল ও কামরাঙ্গীর চর পর্যন্ত বিস্তৃত এ দ্বিতীয় চ্যানেলের বিভিন্ন জায়গায় সিএনজি স্টেশন, ইটভাটা ও আবাসনের জায়গা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় চ্যানেলটি সরকার রাখবে কি রাখবে না, তা সঠিকভাবে বলতে হবে। সরকার রাখতে না চাইলে বন্ধ করে দিক।’ তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, বুড়িগঙ্গার মূল চ্যানেলটিও নিঃশেষ হয়ে যাবে।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1391846317.jpg[/img]
বাপার সাধারণ সম্পাদক আবদুল মতিন বলেন, কার ভাই, কার ভাগনে, কার আত্মীয় নদী দখল করছে, এর তালিকা বাপার কাছে আছে। তালিকাটি তারা সরকারকে দিতে রাজি। সরকার এই দখল থেকে নদীকে উদ্ধার করতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
নদী রক্ষায় সরকারের টাস্কফোর্স সম্পর্কে আবদুল মতিন বলেন, টাস্কফোর্স শুধু টেবিলে আছে, মাঠে নেই। টাস্কফোর্সের কোনো সিদ্ধান্তই নদী উদ্ধারে কাজে আসছে না।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1391846347.jpg[/img]
সভাপতির বক্তব্যে বাপার সহ-সভাপতি ফিরোজ আহমেদ হাজারীবাগ ট্যানারিকে বুড়িগঙ্গা দূষণের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, ট্যানারির মালিকেরা ব্যবসার নামে দূষণ করছেন। আর দায় নিচ্ছে সরকার।
[b]ঢাকা, ৮ জানুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // কে বি[/b]