রাজধানী ঢাকায় ‍দিন শেষে কালবৈশাখী ঝড় হানা দিয়েছে। আর এই মৌসুমে সর্বোচ্চ গতি নিয়ে আজ (রোববার) সন্ধ্যা ৬টার পর ১৫ মিনিটের আকস্মিক এ ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮৩ কিলোমিটারেরও (কি.মি.) বেশি।  

ঝড়ে কোনো হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় সড়কে গাছ পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।  

আবহাওয়া অধিদফতরের কর্মকর্তা শাহীনুল ইসলাম জানান, রোববার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার পরই রাজধানীতে কালবৈশাখী ঝড়ের শুরু হয়। এ সময় মহাখালী-আগারগাঁও’সহ সংলগ্ন এলাকায় ঘণ্টায় ৮৩ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যায়।

রোববার সকাল থেকেই ঢাকার আকাশ কিছুটা মেঘলা ছিল। তেমন রোদ না থাকলেও ছিল ভ্যাপসা গরম। ছিল অস্বস্তিকর অবস্থা। সন্ধ্যা গড়াতেই হানা দেয় কালবৈশাখী ঝড়।

ঝড়ের আকস্মিকতায় নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে অনেকেই দিগ্বিদিক ছুটতে থাকেন। গাড়ির জন্য অপেক্ষমান নগরবাসীর পাশাপাশি মোটরসাইকেল, রিকশা, অটোরিকশা ও গাড়িতে থাকা যাত্রীরাও পড়েন বিপাকে। 

এদিকে বিকালের পর রাজধানীর বাইরে খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলেও তীব্র কালবৈশাখী হানা দিয়েছে বলে জানা গেছে। এতে গাছপালা উপড়ে যাওয়া ও কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্তের পাশপাশি কোথাও কোথাও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর জাহিদ হোসেন জানান, ধানমণ্ডি এলাকার বিভিন্ন সড়কে গাছ উপড়ে পড়ার খবর পেয়ে লোক পাঠিয়েছেন তারা।

তিনি বলন, “বেশ কিছু গাছ পড়েছে। কয়েকটি জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যে খবর পাচ্ছি তাতে এগুলো পরিষ্কার করতে গভীর রাত হয়ে যাবে।” 

জাহিদ হোসেন জানান, সিটি করপোরেশনের সবগুলো অঞ্চলের ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম’বের হয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরারও কাজে নেমেছেন।   

এমবি