ফারজানা আক্তার নামের এক নববধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে ইউপি গ্রাম পুলিশ ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে দোষীদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি প্রদানের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারটি।
রোববার (০৩ জুন) লক্ষীপুর শহরের স্থানীয় একটি পত্রিকায় অফিসে এক সংবাদ সম্মেলন এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
লিখিত বক্তব্যে নববধূ ফারজানা আক্তারের অভিযোগ, গত শনিবার (০২ জুন) চরজাঙ্গালিয়া গ্রামের রুহুল আমিনে বাড়িতে অভিযুক্তরা হোজু মেস্তুরী বাড়ীর মৃত হোসেন আহম্মেদের ছেলে গ্রাম পুলিশ ইসমাইল হোসেন, হেডম্যান মোস্তফা মিয়ার বাড়ি মো. হেলাল উদ্দিনের ছেলে আরাফাত হোসেন, মধূপুত্রের বাড়ির আব্দুল সহিদের ছেলে মো. আরিফ হোসেন, হেডম্যান মোস্তফা মিয়ার বাড়ি শেখ পরিদের পুত্র হাসিব, সাদু চৌকিদারের বাড়ির আতরোরজ্জামানের পুত্র মনির হোসাইন, মধুপুত্রের বাড়ির মৃত হাবিব উল্যাহ ছেলে কামাল হোসেন, গণি চৌকিদার বাড়ির শ্হা আলমের পুত্র সোহেলসহ আরও অজ্ঞাত তিন-চার জন মিলে আমার শশুর বাড়িতে প্রবেশ করে আমার স্বামী কোথায় জানতে চাই। আমি তাদের উত্তরের জানায় কাজে গেছে। সুযোগ বুঝে আমাকে কু-প্রস্তাব দেয় তারা, এতে আমি রাজি না হওয়ায় ওরা আমাকে খারাপ বলে এবং তাদের সাথে যেতে বলে।
অভিযোগে আরও বলেন, আমি তাদেরকে বলি আমার স্বামী আসলে তারপর যাব। এরপর তারা আমাকে বিভিন্ন ধরনের অশ্লীল ভাষা গালমন্দ করে। আমি বাড়িতে একা থাকায় তাদের কথায় উত্তর না দেওয়ায় তারা জোর পূর্বক আমার গায়ে হাত দিয়ে টানা হেছড়া শুরু করলে আমার পরনে থাকা জামা-কাপড় ছিঁড়ে ফেলে। একপর্যায়ে আমি চিৎকার করলে, তারা আমাকে বলে তোর বিয়ের কাগজ দেখা। আমি বিয়ের কাবিননামা দেখানোর পরও তারা আমার গায়ে হাত তুলে বেদড়ক মারধর করতে থাকে।
পরে আমার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে আমাকে নিয়ে যায়। এরপর কমলনগর থানা আমার বিয়ে সত্যতা পেয়ে রাত ১১ ঘটিকায় দিকে ছেড়ে দেয়।
ওই রাতে আমার শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে আমার শশুর বাড়ীর লোকজন কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা করান।
এ সময় তাঁর স্বামী আলা উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। ভুক্তভোগী নববধূ ফারজানা আক্তার প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন।
গত রোববার (০৩ জুন) লক্ষীপুর পুলিশ সুপার বরাবর অপরাধীদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
যৌনহয়রানীর বিষয়ে গ্রাম পুলিশ ইসমাইল হোসেন কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এ বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই।
আলমগীর/এমবি





