ঝালকাঠির নেছারাবাদ এনএস কামিল মাদরাসার ছাত্রদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংর্ঘষে ছাত্রসহ কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার রাত ১০টার দিকে বিকাশের টাকা লেনদেনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ২০টিরও বেশি দোকানে ভাঙচুর করেছে ওই মাদরাসার ছাত্ররা।
আহতদের মধ্যে ফিরোজ, কাওসার, মারজান, মিরাজ নাজিম, কামাল ও সাইফুলের নাম জানা গেছে। এ নিয়ে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার দিকে ওই মাদরাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র মাহিম মোবাইল ফোন দোকানদার রুহুল আমীনের বিকাশে নম্বর থেকে না বলে দুই হাজার টাকা তার মোবাইলে সেন্ডমানি করে।
এসময় দোকানদার বিষয়টি মাহিমের কাছে জিজ্ঞাসা করলে প্রথমে সে অস্বীকার করে। পরে চাপ প্রয়োগ করা হলে টাকা নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে মাদরাসা ছাত্র মাহিম।
এ ঘটনায় দোকানের সামনে জড়ো হওয়া লোকজন মাহিমকে মারধর করতে চাইলে রুহুল আমীন তাদের বাধা দেয়। আর বিষয়টি মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়।
এরপরে মাহিমকে মারধর করেছে এমন অভিযোগ এনে রাত ১০টার দিকে মাদরাসার প্রায় অর্ধশত ছাত্র প্রথমে রুহুল আমীনের দোকানসহ ওই বাজারের কমপক্ষে ২০টি দোকান ভাঙচুর করে তারা। এতে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন।
তবে মাদরাসার শিক্ষক শহীদুল ইসলাম জানান, টাকা চুরির মিথ্যা অভিযোগ এনে মাদরাসার ওই ছাত্রকে নির্মম নির্যাতন করা হয়েছে। যার ফলে অন্য ছাত্ররা ক্ষিপ্ত হয়ে দোকান ভাঙচুর করেছে।
নেছারাবাদ এনএস কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা খলিলুর রহমান নেসারাবাদী জানান, পরিস্থিতি শান্ত রাখার জন্য ছাত্রদের ক্যাম্পাস থেকে বাহিরে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। উভয় পক্ষর সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করা হবে।
ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল রাকিব জানান, এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ওই এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই
















