বগুড়া উপজেলা চেয়ারম্যানসহ বিএনপি- জামায়াতের ৩৭১ জন নেতা-কর্মীর নামে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। ধুনট ও নন্দীগ্রাম উপজেলায় অবরোধ চলাকালে নাশকতার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়।
শনিবার বিকাল পর্যন্ত পুলিশ ওই দুই মামলায় বিএনপি-জামায়াতের ১০ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে। এদের মধ্যে জামায়াতের চার জন।
অবরোধ চলাকালে ২০ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীরা ট্রাক ভাঙচুর এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকসহ ৫ জনের নাম উল্লেখসহ ২০ জন অজ্ঞাত নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
ওই মামলায় শনিবার দুপুরে বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সোহেল (২৫) কে পুলিশ গ্রেফতার করে।
অন্যদিকে শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও ধুনট উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল আলম মামুনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি হুকুমালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে ওই মিছিল থেকে একটি অটোরিকশা ভাঙচুর করে। এ সময় পুলিশ ও নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ৫ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ও লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় দুই পুলিশ কনস্টেবলসহ বিএনপি-জামায়াতের ৩০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে এসআই হযরত আলী বাদী হয়ে নাশকতার অভিযোগে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও ধুনট উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল আলম মামুন, উপজেলা জামায়াতের আমির রেজাউল করিম বাচ্চু, প্রাক্তন পৌর প্রশাসক আকতার আলম সেলিমসহ ২৬৫ জন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ ওই মামলায় শনিবার দুপুরে জামায়াত নেতা মহসিন আলী (৩২), কামরুজ্জামান (৩০), আব্দুর রাজ্জাক (৪০) ও শাহজাহান আলীকে (৭০) আটক করেছে।
এর আগে ধুনট সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বনি আমিন (৪০), উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান (৩৫), বিদ্যুৎ (৩৫), যুবদল নেতা হান্নান (৩০), সেলিম (২৮) ও আলমকে (২৫) আটক করে।
ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, অবরোধ চলাকালে নাশকতার অভিযোগে বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে এবং শনিবার বিকাল পর্যন্ত ১০ জনকে আটক করা হয়েছে।
এমকে





