খুলনায় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন মোড়ে অবস্থিত স্থাপনাগুলোর সৌন্দর্য ঢাকা পড়েছে বিভিন্ন  রঙ বেরঙের ব্যানার-ফেস্টুনে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা এসব ভাস্কর্যগুলোর চুতুর্দিক ঘিরে সাটানো হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের ব্যানার-ফেস্টুন ও তোরণ। তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যও। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ ।

জানাগেছে, নববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা এ সব ব্যানার-ফেস্টুন টাঙিয়েছে। যা এখনও ঝুলে রয়েছে। এছাড়া খুলনা দিবস, মে দিবসসহ নানা দিবস ও সম্মেলনকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে ব্যানার ফেস্টুন।

নেতাদের বিশাল রঙিন ছবি সম্বলিত ব্যানার দিয়ে তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে সড়কগুলো সংকুচিত হয়ে পড়েছে। যানবাহন ও পথচারী চলাচলেও বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

নগরীর সড়কগুলো ঘুরে দেখা গেছে, নতুন রাস্তার মোড়ে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য, শিববাড়ী মোড়ের সৌন্দর্য বর্ধনকারী দৃষ্টিনন্দন গোল স্থাপনা, ময়লাপোতা মোড়ের গোল স্থাপনা, কেডিএ এভিনিউয়ের সাতরাস্তা ও রয়েল মোড়ের চিংড়ি স্থাপনা রঙিন প্যানা ব্যানার ও পোস্টারে ঢেকে গেছে।

সাতরাস্তা মোড়ের পথচারী ডাঃ হাফেজ সাইফুল্লাহ মানসুর বলেন, শিল্প সাহিত্য নগরীর সৌন্দর্য বলতে এখন যা বুঝি তা হলো রাজনৈতিক দলীয় নেতাদের পোস্টার ফেস্টুন প্যানা। কারণ নগরীর সড়কসমূহ প্যানা ফেস্টুনে সয়লাব। এমনকি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো বোঝাই যায় না। যা নগরীর সৌন্দের্যের প্রতীক।

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মিজানুর রহমান মিজান এমপি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ব্যবহারে নিষেধ রয়েছে। এর পরও দলীয় কিছু নেতা রয়েছে যারা ছবি ব্যবহার করছে। আমরা খুব শিগগিরই এসব নেতাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) কর্মকর্তা মোঃ ফারুক হোসেন তালুকদার বলেন, আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। যা নিয়মিত চলছে। কিন্তু অভিযানের পর কোচিং সেন্টার ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ স্থান পোস্টার প্যানায় ছেয়ে ফেলে।

জারিফ