বিদেশি নাগরিক হত্যায় আইএসকে জড়ানোর বিষয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশ ও গোয়েন্দারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের আইজিপি একেএম শহীদুল হক।

আজ রোববার ঢাকা জেলা পুলিশের উদ্যোগে রাজধানীতে বেদে সম্প্রদায়ের বিকল্প পেশা হিসেবে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, প্রথমে ঢাকায় ইতালির নাগরিক তাবেলা সিজার পরে রংপুরে জাপানি নাগরিক হোসি কোনিও খুন হন। এই দুই হত্যাকাণ্ডের পরপরই দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে আইএস। এমন প্রচারণা চালানো হয় সাইট নামে বিদেশি একটি ওয়েবসাইট থেকে।

পুলিশের তদন্তে উঠে আসে একজন ইহুদি নারী ওই ওয়েবসাইটের পরিচালক। তিনি আইএস নিয়ে প্রচারণা চালান। যদিও ঢাকায় সরকারি কর্মকর্তারা বারবার বলছেন, দেশে আইএস’র কোনো অস্তিত্ব নেই।

এসএইচ