লঘুচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় দমকা হাওয়াসহ ভারি ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টি এবং বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
রাজধানী ঢাকায় ১৪ মিলিমিটার, রাজশাহীতে ১৭ মিলিমিটার, চট্টগ্রামে ২৭২, সিলেটে ৭৮, খুলনায় ১৭১, বরিশালে ৭৬ এবং রংপুরে ২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সকাল ৮টার দিকে শুরু হওয়া কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে পানি জমেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বৃষ্টির কারণে যানবাহন সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েন অফিস, স্কুল-কলেজগামী যাত্রীরা।
এছাড়া গত বেশ কয়েকদিন ধরে মৌশুমী বায়ুর প্রভাবে ঢাকাসহ সারা দেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হয়েছে। চট্টগ্রামসহ বেশ কিছু স্থানে ভারি বৃষ্টিপাতও হয়েছে।

এদিকে, রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়কে সকাল থেকেই দেখা গেছে হাটু থেকে কোমর পর্যন্ত পানি। সড়কের কোন কোন স্থানে গর্ত থাকায় দেখা দিচ্ছে দুর্ঘটনা। সকাল থেকে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে রাজধানীর মতিঝিল, নয়াপল্টন, শান্তিনগর ও আজিমপুরসহ বেশ কিছু এলাকার সড়কে পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
এসব সড়কে ইঞ্জিনচালিত বাস, সিএনজি অটোরিক্সা ও টেম্পোসহ বেশিরভাগ যান চলাচলই বন্ধ রয়েছে। নগরবাসীকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পায়ে হেটে অথবা দ্বিগুন, তিনগুন ভাড়া দিয়ে রিক্সায় যাতায়াত করতে হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ঢাকা শহরে বৃষ্টির সময়ে এমন জলাবদ্ধতা নতুন কিছু নয়। নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থার ত্রুটির কারণেই এমনটি হচ্ছে বলে প্রায়শই গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলেও দেখা যায় না কোন কার্যকর উদ্যোগের।
নগরের বাসিন্দাদের এ নিয়ে রয়েছে চরম ক্ষোভ। অনেকেরই প্রশ্ন, সিটি কর্পোরেশনে বাস করতে গিয়ে কোন ট্যাক্সই তো মওকুফ করা হয় না, তাহলে আমরা এত ভােগান্তিতে দিন কাটাবো কেন?
ঢাকা, ২৩ জুন(টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ // কেবি





