আত্মসমর্পণ করেছে সুন্দরবনের ত্রাস জলদস্যু নোয়া বাহিনী ।কুয়াকাটায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট তারা আত্মসমপর্ণ করে। শনিবার নোয়া বাহিনীর ১২ জন সদস্য অস্ত্রসহ র্যাবের নিকট আত্মসমর্পণ করেন। আইন শৃংখলা বাহিনীর কাছে তারা ২৫টি অস্ত্র ও ২ হাজার রাউন্ডের বেশি গুলি তারা জমা দেন ।
কুয়াকাটার রাখাইন মার্কেট মাঠে আনুষ্ঠিক ভাবে এ আত্মসর্মাপনের আয়োজন করেছেন র্যাব-৮। এসময় উপস্থিত ছিলেন র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ এবং র্যাব ৮ এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আনোয়ার উজ জামানসহ আইন শৃংখ্যলা বাহিনীর সদস্যরা ।
র্যাব সুত্রে জানায়, বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার বরিশাল র্যাব-৮ এর একটি গোয়েন্দা দল সুন্দরবন এর চাদপাই রেঞ্জের অর্ন্তগত পশুর নদীতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের দ্বিতীয় দিন সুন্দরবন এলাকার পুটখালী খালের ভিতরে জলদস্যু বাহিনীরা অবস্থান করেন এবং র্যাবের কাছে আত্মসর্মাপন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
এর প্রেক্ষিতে র্যাব-৮ জলদস্যু নোয়া বাহিনীর আত্মসর্মাপন করা আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থার আয়োজন করেন।
এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজাজামান খাঁন কামাল এর আগের আত্মসমার্পনকারী জলদস্যু বাহিনীর ৩৩ পরিবারকে নগদ বিশ হাজার টাকা অনুদান এবং শীত বস্ত্র প্রদান করেন।
আত্মসমার্পনকারী জলদস্যু বাহিনীর সদস্যদের বাড়ী বাগেরহাট জেলার মংলা ও রাম পালের বিভিন্ন এলাকায়। এর আগে মাস্টার বাহিনীসহ কয়েকটি জলদস্যুদের গ্রুপ র্যাবের নিকট আত্মসমর্পন করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে।
নাজিব





