ক্যালেন্ডারের পাতায় বিদায় নিয়েছে বর্ষা। এরইমধ্যে শুরু হয়েছে শরৎকাল। যদিও আকাশে মেঘ-বৃষ্টির খেলা চলছে। বড় ধরণের বন্যার আশঙ্কা এখনো শেষ হয়নি। তারপরও নাব্যতা সংকটের কারণে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।
দক্ষিণবঙ্গের ২৩টি জেলার সঙ্গে যোগাযোগের প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌ-রুটে নাব্যতা সংকটের কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। পদ্মা নদীর লৌহজং টার্নিং চ্যানেলে পানির গভীরতা ফেরি চলাচলের মতো না থাকায় সকল ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
শুক্রবার রাত থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ আছে। শনিবার সকালে একটি ফেরি কাওড়াকান্দির উদ্দেশে ছেড়ে গেলেও নাব্যতা সংকটের কারণে ফেরিটি শিমুলিয়া ঘাটে ফিরে আসেনি।
এদিকে ফেরি চলাচল না করায় শিমুলিয়া ঘাটে প্রায় পাঁচ শতাধিক গাড়ি পারাপারের অপেক্ষায় আছে। এতে বিড়ম্বনায় পড়েছেন পারাপারে অপেক্ষায় থাকা হাজার হাজার যাত্রী।
ফেরি চলাচল বন্ধের কথা স্বীকার করে বিআইডব্লিউটিসির সহকারী ব্যবস্থাপক চন্দ্র শেখর জানান, চ্যানেলে পানি কমে যাওয়ায় শনিবার সকালে ১৮টি ফেরীর মধ্যে মাত্র একটি ফেরি কাওড়াকান্দি যাওয়ার পথে মাঝ-পদ্মায় আটকা পরে যায়।
নদীতে ভাটার সময় পানি কমে যাওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে এবং জোয়ারে ফেরি ১-২ টা চলাচল করতে পারে। তবে পানির গভীরতা বেড়ে গেলে আবার ফেরী চলাচল শুরু হবে। ১৮টি ফেরির মধ্যে রো-রো ফেরির চলাচল প্রায় ৯দিন ধরে বন্ধ আছে।
এদিকে, প্রচণ্ড স্রোতের কারণে এ রুটে লঞ্চ চলাচলে বেগ পেতে হচ্ছে লঞ্চ চালকদের। এ কারণে শুধুমাত্র বড় বড় লঞ্চ চলাচল করছে বলে জানান মাওয়া ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তোফাজ্জল হোসেন।
তিনি আরো জানান, এ রুটে সি-বোড চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ থাকলেও কোনো রকম তোয়াক্কা না করে প্রচণ্ড স্রোতের মধ্যে সি-বোড চলাচল অব্যাহত রয়েছে।
এআর





