বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার  বৃহস্পতিবারের নীলফামারির জনসভা জন সমুদ্রে পরিনত হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি‘র সাংগঠনিক সম্পাদক(রংপুর বিভাগ) অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। 

বুধবার একান্ত  সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান। এসময় তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের উপর জনগন এতটাই ক্ষুদ্ধ যে এই সরকার কে হটাতে  বেগম জিয়ার  নির্দ্দেশনা পেতে তারা ক্ষরশ্রোতা নদীর শ্রোতের মত ছুটে আসবে। জনসভা নিলফামারি স্কুল মাঠ ছেড়ে গোটা শহর ও শহর তলীতে ছড়িয়ে পরবে বলে তিনি ধারনা  করছেন।

গত কয়েকদিন রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় তিনি  কর্মী সভা করে যে, উৎসাহ উদ্দীপনা দেখেছেন তাতে তিনি আশাবাদী জনসভায়  ১০  লাখের অধীক লোক সমাগম ঘটবে।

তিনি আরও জানান, জনসভাকে ঘিরে বিভাগের প্রতিটি জেলায় সাজ সাজ রব তৈরী হয়েছে। দুরে বসে যাতে সকলেই তাদের প্রাণ প্রিয় নেত্রীর কথা শুনতে পারেন সে জন্যে জনসভা স্থলসহ সাড়া শহর  জুড়ে সাড়ে ৩ শত মাইক লাগানো হয়েছে। জন সভা স্থলের শৃঙ্খলা রক্ষায় কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবক উপস্থিত থাকবে।

এছাড়াও  ড্যাবের অসংখ্য মেডিকেল টিম জনসভাস্থল ও এর আশ পাশে স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত থাকবে। তিন স্তর বিশিষ্ট ৬০ ফুট দৈর্ঘ ৩০ ফুট প্রস্থ মঞ্চ তৈরী করা হয়েছে। জাসাসের শিল্পীরা দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশন করবেন। প্রায় দুই ডজন উপ কমিটি জনসভা সফল করতে নেতাকর্মীরা প্রিয় নেত্রীকে বরণ করতে সকল  প্রস্তুতি সু সম্পন্ন করেছে।

এখন শুধু বরণ করার পালা। এদিকে জনসভা সফল করতে রংপুর মহানগর  বিএনপি  বুধবার বিকালে রংপুর মহানগরীতে বিশাল প্রচার মিছিল বের করে। মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষীন শেষে প্রচার সভায় মিলিত হয়। এসময় মহানগর বিএনপি‘র সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোজাফ্ফর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সমাসুজ্জামান সামু  ও সাংগঠনিক সম্পাদক আনিছুর রহমান লাকু জনসভায় যোগ দিতে দল মত নির্বিশেষে সকলের প্রতি আহবান জানান। এছাড়াও  জনসভা সফল করতে মহানগর ও জেলা বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করেছে।

 গত ক‘দিন ধরে মহানগরের ৩৩ টি ওয়ার্ড ও জেলার ৮ উপজেলা সদরসহ সকল ইউনিয়নে কর্মী সভা করে এ প্রস্তুতি নিয়েছে নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, রংপুর থেকে  ২৫  হাজার নেতাকর্মী জনসভায় যোগ দিবেন। এ লক্ষ্যে মহানগর ও জেলা বিএনপি কয়েক শত বাস ট্রাক ভাড়া করেছে।  প্রিয় নেত্রীকে বরণ করতে রংপুর জেলার প্রবেশ  দ্বার থেকে শুরু করে মহানগর এলাকাসহ জেলার শেষ প্রান্ত পর্যন্ত প্রায় ৩০০টি তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়াও রাস্তার দু‘ধার রং বেরং এর পোষ্টার আর ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। জনসভাকে ঘিরে গোটা রংপুর অঞ্চলে সৃষ্টি হয়েছে এক নতুন দিগন্তের। এ যেন শোষিত, বঞ্চিত, নির্যাতিত জনতার প্রানে নতুন প্রানের স্পন্দন।

জেআই