রোববার (২৮ জুন) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
আইন উপদেষ্টা বলেন, ভুয়া ও মিথ্যা মামলা করে অনেক ব্যক্তিকে সেই মামলায় আসামি করে মামলা বাণিজ্য করা হয়। সেটা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য আমরা বহুবার চিন্তা করেছি। বাংলাদেশে যারা বড় বড় আইনজীবী আছেন, আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলেছি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কনসালটেনশন মিটিং করে আমার একটা সিআরপিসি চেঞ্জ এনেছি।
আসিফ নজরুল বলেন, একটা হত্যা মামলা যখন হয় তার তদন্তের জন্য দুই বছর, তিন বছর লেগে যায়, এটার মধ্যে শত শত লোককে আসামি করা হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এক ধরনের মামলা বাণিজ্য থাকে। যারা আসামি হন তারা দুই-তিন বছর চিন্তার মধ্যে থাকেন তারা কখন গ্রেপ্তার হবেন। সেটা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য সিআরপিসিতে ১৭৩এ নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নতুন বিধানে বলা হয়েছে পুলিশ কমিশনার, এসপি বা পদমর্যাদার কোনো পুলিশ কর্মকর্তা উনার নিয়ন্ত্রণাধীন কোনো মামলার বিষয়ে উনার যদি মনে হয় যে এটা করা যৌক্তিক। তাহলে তদন্তকারী যে কর্মকর্তা আছেন, তাকে তিনি বলতে পারেন, একটা প্রাথমিক রিপোর্ট দাও। সেই প্রাথমিক রিপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জমা দেওয়ার জন্য এসপি সাহেব বলবেন। ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন এ মামলার মধ্যে ১০০ জন লোককে আসামি করা হয়েছে, ৯০ জনের ব্যাপারে কোনো অভিযোগ নেই। ৯০ জনের বিষয়ে কোনো সাক্ষী নাই। তাহলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে ওই মামলা থেকে যাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, তাদেরকে মুক্ত করে দিতে পারবেন।
এইচআর