নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলায় রাজগঞ্জ ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় এস.এস.সি পরীক্ষা কেন্দ্রে নকল সরবরাহের অভিযোগে পরিদর্শক শংকর বিকাশ মজুমদার ও একই উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষায় নকল করার অভিযোগে পরীক্ষার্থী মনিরুল ইসলামকে বহিস্কার করা হয়েছে।

শুক্রবার এস.এস.সি সাধারণ গণিত পরীক্ষায় রাজগঞ্জ ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নকল সরবরাহ করায় পরবর্তী পরীক্ষা থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে ওই শিক্ষককে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নাহিদা হাবিবা।

একই সময়  ওই মাদ্রাসায় ইংরেজি পরীক্ষায় নকল করার অভিযোগে বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরীক্ষার্থীকে বহিস্কার করা হয়েছে।

এ নিয়ে রাজগঞ্জ পরীক্ষা কেন্দ্রে এই বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী শাহীন এমরানসহ ২জন পরীক্ষার্থীকে নকল করার অভিযোগে ওই ম্যাজিস্ট্রেট স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক শিক্ষকরা জানান রাজগঞ্জ ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব নুরুল ইসলাম কুমিল্লা বোর্ডের কতেক অসাধু কর্মকর্তাকে মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে এই প্রথম এখানে পরীক্ষা কেন্দ্র চালু করেন।

পরীক্ষায় সুযোগ-সুবিধা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধান শিক্ষক তার বিদ্যালয়ের ২৫০জন এস.এস.সি পরীক্ষার্থীর জন প্রতি ১ হাজার টাকা চাঁদা সংগ্রহ করে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কেন্দ্রে আসার আগেই বিগত পরীক্ষা চলাকালীন পর থেকে বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন ৫জন শিক্ষক দিয়ে ২৫০ জন শিক্ষার্থীকে নকল সরবরাহ করছে সচিব।

এই কেন্দ্রের অন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষক ও সচিবের এই অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ করলে তাদের পরীক্ষর্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বহিস্কারের হুমকি দেয়।

এদিকে রাজগঞ্জ ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব নুরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান বোর্ডে কর্মকর্তাদেরকে সব কেন্দ্রের সচিবরা টাকা দিতে হয়।

এটি চিরাচরিত নিয়ম। পরীক্ষা কেন্দ্রেও পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে সুযোগ সুবিধা নিতে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়। এই নিয়ম সব পরীক্ষা কেন্দ্রে চলে আসছে। পরিদর্শকের সহযোগীতায় পরীক্ষার্থীরা নকল করছে।

এসএইচ