রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কাটাখালী আবহাওয়া অফিসের পাশে শ্যামপুর (নানার বাড়ি) থেকে সবুজ আলী নামে এক শিবির কর্মীকে আটকের পর সকালে স্বীকার করলেও বিকালে অস্বীকার করছে মতিহার থানা পুলিশ।

সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তাকে আটক করা হয়।

সবুজের বাবা সাদেক মন্ডল অভিযোগ করে বলেন, আটকের পর সকালে পরিবার থেকে ৩/৪ জন থানায় গিয়ে সবুজের সাথে দেখা করি এবং খাবার দেই। এরপর দুপুরে আবার খাবার নিয়ে দেখা করতে গেলে থানার দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, সবুজ নামে কেউ এখানে নেই এবং এ নামের কাউকে আটক করা হয়নি। এমন খবর শোনার পর থেকেই আমাদের মধ্যে ভীতি কাজ করছে।

তিনি আরো বলেন, সবুজের সাথে রিপন নামে আরও এক ছেলেকে আটক করা হয়। থানায় তাদের সাথে থাকা আরও তিন জনকে সকালে দেখেছিলাম। পরে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়। কিন্তু সবুজ এবং রিপনকে এখনো কেন আদালতে হাজির করা হচ্ছে না এবং পুলিশের পক্ষ থেকে অস্বীকার করে বলা হচ্ছে তাদের কাউকে আটক করা হয়নি বা থানায় সবুজ নামে কেউ নেই।

এদিকে মঙ্গলবার সকালে কাজল রেখা নামে এক নারী পুলিশ কর্মকর্তা আটকের বিষয় স্বীকার করে বলেন, সবুজ নামে একজনকে আটক করা করা হয়েছে এবং সে থানায় আছে।

অপরদিকে বিকালে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ বলেন, ‘সবুজ নামে কাউকে আটক করা হয়নি এবং আমার নলেজে এমন কোন বিষয় নেই।’

আটককৃত শিবির কর্মী বিনোদপুর ইসলামিয়া কলেজের ডিগ্রি প্রথম বর্ষের বর্ষের শিক্ষার্থী এবং নগরীর মির্জাপুর পূর্বপাড়ার সাদেক মণ্ডলের ছেলে।

জেএ