ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) সম্পত্তি বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পুরান ঢাকার নওয়াব ইউসুফ কাঁচাবাজার টোলের সিংহভাগ টাকা লোপাটের সুসির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।
ডিএসসিরি সম্পত্তি বিভাগের একটি চক্র টোলের টাকা আদায় করে তা ফান্ডে জমা না দিয়ে নিজেরা ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন।
জানাযায়, ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গত ১ বছরে ওই কাঁচাবাজারের টোল আদায়ের সর্বোচ্চ দরদাতা ছিলেন সিক্কাটুলির বাসিন্দা মো. ইলিয়াস রশীদ। ইজারাদার হিসেবে তিনি গত ১ বছরে ইজারা মূল্য ১ কোটি ৩১ লাখ ৫৭ হাজার ৭০৭ টাকা সেই সঙ্গে শতকরা ১৫ ভ্যাট ১৯ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫৬ টাকা এবং শতকরা ৫ ভাগ আয়কর বাবদ আরও ৬ লাখ ৫৭ হাজার ৮৮৬ টাকা সিটি করপোরেশনের ফান্ডে ও সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছিলেন।
কিন্তু চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি ইজারার মেয়াদ শেষ হলে ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ নতুন করে ইজারাদার নিয়োগ না দিয়ে ২ কর্মচারীর মাধ্যমে টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এ বিষয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি ডিএসসিসির সম্পত্তি বিভাগ থেকে একটি আদেশ জারি করা হয়েছে। ডিএসসিসির সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে (স্মারক নং-৪৬.২০৭.০০০.১৩.০২.৪০৯৪.২০০৪.৭৭২) বলা হয় ডিএসসিসির মালিকাধীন নবাব ইউসুফ মার্কেটের ভেতরের কাঁচাবাজার থেকে টোল আদায়ের বিষয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সম্পত্তি বিভাগের এম.এল.এস.এস. নাসিরউদ্দিন ও উচ্ছেদ শ্রমিক মো. ধলু মিয়াকে টোল আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হল।
আর পুরো বিষয়টি তদারকি করেন অপর কর্মচারী বাবু মহাদেব। ওই আদেশ জারি হওয়ার পর থেকেই নাসির উদ্দিন ও ধলু মিয়া নবাব ইউসুফ মার্কেটের প্রতি মাসে ডিএসসিসির ফান্ডে ৮ থেকে ৯ লাখ টাকা জমা করছেন।
সম্পত্তি বিভাগের একাধিক কর্মচারী বলেন, মাসে ১৫ লাখ টাকা প্রদানের শর্তে কাঁচাবাজারটি ইজারা নিতে আরমান নামে অপর এক ব্যক্তি ডিএসসিসিতে আবেদন করেন। কিন্তু ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ ইজারা না দিয়ে ’খাস টোল আদায়’ ডিএসসিসি সিন্ডিকেট ইজারা মূল্য থেকে প্রতি মাসে ৭ লাখ টাকা সম্পত্তি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভাগ-ভাটোয়ারা করে খাচ্ছেন।
কাঁচাবাজার থেকে আদায়কৃত টোল জমাদানের বিষয়ে ডিএসসিসির সম্পত্তি বিভাগের কর্মচারী বাবু মহাদেব বলেন, প্রতি সপ্তাহে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা জমা করা হচ্ছে। এর বেশি আমি কিছু জানি না। স্যারের সঙ্গে আলাপ করেন। তার হিসাব অনুযায়ী মাসে ১০ থেকে সাড়ে ১০ লাখ টাকা ফান্ডে জমা হয়।
এইবিষয়ে প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো.খালিদ হোসেনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে,তার ব্যক্তিগত সহকারি জামাল হোসেন বলেন, স্যার অফিসে নেই। এই বিষয়ে কথা বলবেন না।
[b]ঢাকা,একে ১১ এপ্রিল (টাইমিউজবিডি.কম)// এসআর
[/b]





