দেশের সর্ববৃহৎ ঈদুল ফিতরের ১৮৭তম জামাত অনুষ্ঠিত হবে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়ায়।

ঈদজামাত সকাল ১০টায় অনুষ্টিত হবে। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা মোঃ ফরিদ উদ্দিন মাসউদ।

শোলাকিয়া ঈদগাহে ২৬৫টি কাতারে প্রতি বছর লাখ লাখ মুসুল্লীর সমাবেশ ঘটে।

মুসল্লীরা মনে করেন, ঈদের নামাজ মাঠে পড়া সুন্নতে মোয়াক্কাদা এবং যে জামায়াতে মুসুল্লী যতবেশী হয় ছওয়াবও তত বেশী হয়, গোনাহ মাফ হয়।

এ বিশ্বাস থেকেই ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ বিশাল জামায়াতে নামাজ পড়তে আসেন। কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও ঈদগাহ কমিটির সভাপতি এস এম আলমএকথা জানান।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন খান জানান, মুসল্লীদের নির্বিঘ্নেনামাজ আদায়ের লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ প্রশাসন কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব ও আনসার সদস্যরাও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলা প্রশাসন সৌন্দর্য বর্ধনে মাঠের সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছেন। আগে থেকে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায়ের লক্ষ্যে দেশের দূর দুরান্ত থেকে আসা মুসল্লীদের খাবারের ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে। শোলাকিয়া মাঠের ঈদজামাতের প্রতি মুসল্লীদের আকর্ষণ দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতি বছরই মাঠের কলেবর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৯৫০ সাল থেকে ওয়াকফের দলিল মূলে হয়বতনগর জমিদার বাড়ীর দেওয়ান মান্নান দাদ খান থেকে বংশানুক্রমিক জৈষ্ঠ্য পুত্রগণ শোলাকিয়া ঈদগাহের মোতাওয়াল্লী দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

বর্তমানে দেওয়ান ফাত্তাহ দাদ খান মঈন মোতাওয়াল্লী ও দেওয়ান মোঃ রউফ দাদ খান নায়েবে মোতাওয়াল্লীর দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

ঢাকা, ২৮ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ