রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের একটি বাসা থেকে শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার সকালে তেঘুরিয়া ইউনিয়নের আতিয়া গার্ডেন সিটির ৬তলা ভবনের একটি বাসা থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়।
তবে এখন পর্যন্ত লাশগুলোর পরিচয় নিশ্চিত হতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির কেয়ারটেকার সোহেলকে আটক করেছে তারা।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত কর্তার বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। আর স্ত্রীর বয়স ২৮ বছর। তাদের ছেলের বয়স ৫/৭ বছর আর মেয়ের বয়স ৪ বছর।
নিহতদের প্রতিবেশী পাপিয়া বলেন, 'আমরা এই বাসায় এসেছি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে। আর নিহত পরিবার এসেছে দু'মাস আগে। একারণে তাদের সম্পর্কে আমার ভালো ধারণা নেই।
তবে নিহত বাড়ির কর্তাকে সবজি ব্যবসা করতে দেখতাম। তিনি এখান থেকে সবজি কিনে ঢাকায় বিক্রি করতেন।'
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী জামাল উদ্দীন মীর বলেন, লাশগুলোর সুরতহাল দেখে ধারণা করা হচ্ছে ৩/৪ দিন আগেই তাদেরকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। কারণ লাশগুলো পচে গন্ধ ছড়াচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ওই বাসার কেয়ারটেকার জানিয়েছে, বাড়ির মালিক সৌদী প্রবাসী। কেয়ারটেকার প্রতিমাসে ভাড়া আদায় করে মালিকের কাছে পৌছে দেয়।
র্যাব- ১০ এর এএসপি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ঊর্ধ্বতন র্যাব কর্মকর্তারা আটক বাড়ির কেয়ারটেকার সোহেলকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।
এসময় সোহেল জানিয়েছে, ৩ দিন আগে সে ভাড়া নিতে ওই বাসায় এসেছিল। তখন সে দরজায় বাইরে থেকে তালা লাগানো দেখে ফিরে গেছে।
এর পরের দিন সে আবারও ওই বাসায় এসে একই অবস্থা দেখতে পায় এবং সেদিনও ফিরে যায়। তবে আজ সকালে সে আবারও যখন ভাড়া নিতে ওই বাসায় আসে তখন সে ঘরের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ পায়।
এসময় সে কেরানীগঞ্জের তেঘুরিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বর বাবুল দেওয়ানকে বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে বাবুল দেওয়ান বিষয়টি পুলিশকে জানায়।
ঢাকা, জেইউ, ২৪ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর





