ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মেঘনা নদীতে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী ট্রলারটি সাড়ে ১১ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে রোববার সকালে অজ্ঞাত একজনের লাশ পাওয়া গেলেও ট্রলার উদ্ধারের পর কোন লাশ পাওয়া যায়নি।

ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আশুগঞ্জ ও ঢাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী তিনটি দল সকাল ৯টা থেকে উদ্ধার কাজ শুরু করে। দুপুরে তাদের সাথে যোগ দেয় ঢাকা থেকে ৫ সদস্যের ডুবুরি দল। সারাদিন উদ্ধার কাজ চালালেও ট্রলারে মালামাল থাকায় তা উল্টে যাওয়ার কারণে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় সাংসদের সহযোগিতায় আশুগঞ্জ বিদ্যৎকেন্দ্র থেকে একটি ক্রেন দিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তা উদ্ধার করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান জানান, ক্রেনের মাধ্যমে ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়েছে। ভিতরে কোন লাশ পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ কারো আত্মীয়স্বজন এলাকায় না থাকায় এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না আর নিখোঁজ রয়েছে কিনা।

উল্লেখ্য, রোববার সকালে ভৈরব থেকে ছেড়ে আসা তোতা মিয়ার ট্রলারটি আশুগঞ্জ লঞ্চঘাটে যাত্রাবিরতি শেষে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামের দিকে ছেড়ে যায়। ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই সকাল ৭টার দিকে আশুগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায় মেঘনা নদীতে ট্রলারটি ডুবে যায়।

কেএইচ