৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের সাত দশক পূর্তি। এ উপলক্ষে পুরোদমে প্রস্তুতি নিয়ে জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ভিন্ন মাত্রার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের প্রস্তুতি নিয়েছে সংগঠনটি।
কেন্দ্রের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করার লক্ষ্যে নানা কমিটি করে দিন-রাত কাজও করছেন ছাত্রলীগ নেতারা।
এরই মধ্যে ছাত্রলীগের পাঁচ নেতার নেতৃত্বে একটি গ্রুপ সম্মেলনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। সোমবার সন্ধ্যায় বেনামে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক আমন্ত্রণপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
আমন্ত্রণপত্রে বলা হয়, ২ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ১০টায় আমরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গঠনতান্ত্রিক বাধ্যবাধকতা মেনে সম্মেলন প্রত্যাশী নেতা-কর্মীরা ‘সম্মেলন প্রত্যাশী নেতা-কর্মীবৃন্দ’-এর ব্যানারে টিএসসির ক্যাফেটোরিয়ায় একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছি।’
সংবাদ সম্মেলনে সংবাদ সংগ্রহের আমন্ত্রণ জানানো ওই পত্রে কারো নাম উল্লেখ না করে নিবেদক ‘সম্মেলন প্রত্যাশী নেতা-কর্মীবৃন্দ’ উল্লেখ করা হয়।
নিচে একটি নম্বর দেয়া হয়। উল্লেখিত নম্বরে যোগাযোগ করা হলে আদিত্য নন্দী নামে ছাত্রলীগের একজন সহ-সভাপতি ফোন রিসিভ করেন।
‘সম্মেলন প্রত্যাশী নেতা-কর্মীবৃন্দ’ কারা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান রনি, আরেফিন সিদ্দিক সুজন, যুগ্ম সম্পাদক সায়েম খান, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।
এছাড়াও অনেক নেতা-কর্মী আছেন যারা সরাসরি সামনে না এলেও আমাদের মানসিকভাবে সার্পোট দিচ্ছেন।’ তিনি বলেন, ‘কাল (মঙ্গলবার) সংবাদ সম্মেলনে এলে আরও অনেককে দেখতে পাবেন।’
এর আগেও নানা সময়ে ছাত্রলীগের সম্মেলনসহ নানা বিষয়ে কথা বলে আলোচনায় এসেছেন এই পাঁচ নেতা।
এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনও অবগত আছেন বলে জানা গেছে।
এর আগে ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক বলেন, ‘সম্মেলন ছাত্রলীগের ধারাবাহিক পক্রিয়া।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আামাদের উপর যে দায়িত্ব- সব জেলাগুলোর সম্মেলন করে কমিটি দিয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করা। সেটি শেষ করে আমরা নেত্রীর (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) কাছে জমা দেব। নেত্রী তারিখ দিয়ে দিলে আমরা সে সময় সম্মেলন করব।’
এএস





