১৪ মে নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে বৌদ্ধ ভিক্ষুকে গলা কেটে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে উখিয়ার বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতাকর্মীরা।
মানব বন্ধনে বক্তারা ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে বৌদ্ধু ভিক্ষু হত্যাকারীদের গ্রেফতার করতে হবে। অন্যথায় বৃহৎ আন্দোলন করা হবে।
বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও মুসলিমদের বসবাস। দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ নিহত হচ্ছে। এখনো পর্যন্ত কোন হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়নি। বিগত ২০০৩ চট্টগ্রামের জ্ঞানদর্শী ভিক্ষুকে নির্মম ভাবে হত্যা করে। এখনো পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের কোন কূল-কিনারা হয়নি।
বিগত ২০১২ সালে কক্সবাজারের রামু ও উখিয়ার বৌদ্ধ পল্লীগুলোতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালিয়েছিল। এরাও ধরা ছোঁয়ার বাইরে। সীমান্ত এলাকায় রোহিঙ্গাদের অবাধে বিচরণের কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।
ইতোমধ্যেই নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের-এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২ রোহিঙ্গাসহ ৩ জনকে আটক করেন।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করারও দাবি জানান তারা।
গতকাল রোববার বিকাল সাড়ে ৩টির দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের উখিয়া উচ্চ বিদ্যালয় গেইট সংলগ্ন এলাকায় উখিয়ার আনন্দ বিহারের সকল ভিক্ষু সহ বৌদ্ধ দায়েক-দায়িকার নেতৃত্বে এক মানববন্ধন করেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, উখিয়া আনন্দ বৌদ্ধবিহারের উপাধ্যক্ষ প্রজ্ঞাবধির থের। এ সময় বৌদ্ধ সম্প্রদায় নেতা রূপন বড়ুয়া, প্রমতোষ বড়ুয়া, শুভংকর বড়ুয়াসহ উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আগত বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এমআইএস





