রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যেকোন একটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএম নয় ডিজিটাল ভোটিং মেশিন-ডিভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার সকালে রংপুরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে এক বৈঠকে তিনি এই ঘোষণা দেন।
রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ের সভা কক্ষে রংপুর সিটি করপোরেশনে নির্বাচনে নিযুক্ত বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা সুভাষচন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিএম সাহাতাব উদ্দিন, নির্বাচন অফিসার আবু সাঈম, কামরুল ইসলাম, সুমি আরা পারভীন, রেজাউল ইসলাম, সামসুল আযম, মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
এসময় নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন অংশগ্রহনমুলক এবং সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে যা যা করা প্রয়োজন সেটা আমরা করবো। নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। তাই বিধান অনুযায়ী সব কিছু করবো আমরা। মতবিনিময় সভার পরে তিনি রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের একটি সূত্র জানায়, ২৩, ২৪ ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের যে কোন একটি একটি কেন্দ্রে ডিভিএম ব্যবহার হতে পারে।
আগামী ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য রংপুর সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্যমনোনয়ন দাখিল করেছেন মেয়র পদে ১৩, মহিলা কাউন্সিলর পদে ৬৭ এবং কাউন্সিলর পদে ২২৬ জন।
ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী মনোয়নপত্র যাছাই বাছাই ২৫ থেকে ২৬ নভেম্বর, মনোয়নপত্র বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ২৭ থেকে ২৯ নভেম্বর, আপিল নিষ্পত্তি ৩০ নভেম্বর, প্রার্থীতা প্রত্যাহার ৩রা ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ৪ঠা ডিসেম্বর বলে জানান রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার সহায়ক কর্মকতা আবু সাঈম।
অন্যদিকে মোট ১৯৬ টি ভোট কেন্দ্রের ১ হাজার ১৭৭টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। এবার এখানে ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৪২১ ভোটারের মধ্যে রয়েছেন পুরুষ ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৯ এবং নারী ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৬২ জন। ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো রংপুর সিটি করপোরেশনে ভোট হয়েছিল।
এমএ





