নির্মমভাবে ১৪ বছরের এক শিশুকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে গ্যারেজ মালিকের বিরুদ্ধে। হত্যার ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে গ্যারেজ মালিকসহ তিনজনকে গণপিঠুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনগন। সোমবার রাত ১০টার দিকে নগরীর টুটপাড়া সেন্ট্রাল রোড়ে এই ঘটনা ঘটে।

খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবু সুকুমার বিশ্বাস খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রাকিব নামে ১৪ বছরের এক কিশোর মিন্টুর মটর গ্যারেজে কাজ করত। হঠাৎ সে কাজ ছেড়ে অন্য গ্যারেজে কাজ নেয়। এই ঘটনার পর সোমবার রাত ১০টার দিকে রাকিব তার পুরাতন কর্মস্থলের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল।

এই সময় গ্যারেজ মালিক মিন্টু ‘চাকরি ছেড়ে দেওয়ার অপরাধে’ রাকিবকে আটক করে। এবং মটর টায়ারের পাম্প দেওয়া মেশিনের পাইপ রাকিবের মলদারে ঢুকিয়ে হাওয়া দেয়। হাওয়া ঢুকে রাকিবের পেট ফুলে গেলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই সময় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও আশপাশের মানুষ গ্যারেজ মালিক মিন্টু তার ভাই শরীফকে গণপিটনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মিন্টুর মা বিউটি বেগমকেও পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

সোমবার রাত ২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশু রাকিবের মৃত্যু হয়। পুলিশ নিহত রাকিবের বয়স ১৪ বছর বলেছে, তবে পরিবার থেকে রাকিবের বয়স ১২ বছর বলে জানানো হয়।

গণপিঠুনিতে আহত মিন্টু ও শরীফকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে ভর্তি করা হয়েছে।

খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুকুমার বিশ্বাস বলেছেন, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এএইচ