চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ভোট গ্রহণ আগামীকাল (২৭ জানুয়ারি) বুধবার অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে সহিংসতা এড়াতে সোমবার থেকেই নগরীতে ২৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
এছাড়াও পুলিশ, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটেলিয়নের সমন্বয়ে প্রতি তিনটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি করে ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুমনী আক্তার বিজিবি মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, “পরিপত্র জারি হয়েছে। সে হিসেবে তারা আজ নগরীতে টহল শুরু করেছে। ভোটের পর দিন পর্যন্ত তারা টহলে থাকবে।”
ইসির দেয়া তথ্যানুযায়ী, চসিকের নগরপতি হওয়ার জন্য ভোটযুদ্ধে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলে মোট ৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকে মো: রেজাউল করিম চৌধুরী, বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে শাহাদাত হোসেন, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো: জান্নাতুল ইসলাম, চেয়ার প্রতীকে ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ, মোমবাতি প্রতীকে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এম এ মতিন, আম প্রতীকে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আবুল মনজুর এবং হাতি প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী খোকন চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪১টি সাধারণ ওয়ার্ডে ৫৭ জন প্রার্থী এবং সংরক্ষিত ১৪টি ওয়ার্ডে ১৭২ জন প্রার্থী কাউন্সিলর পদে লড়াই করছেন।
নগরীর মোট ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৬ জন ভোটার আগামী পাঁচ বছরের জন্য তাদের নগরপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন আগামীকাল (২৭ জানুয়ারি) বুধবার। পাশাপাশি তারা ৪১ জন সাধারণ কাউন্সিলর এবং ১৪ জন সংরক্ষিত কাউন্সিলর নির্বাচিত করবেন। মোট ভোটারের মধ্যে ৯ লাখ ৯২ হাজার ৩৩ জন পুরুষ এবং ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৬৭৩ জন মহিলা ভোটার। ভোটের জন্য ৭৩৫টি ভোটকেন্দ্র এবং চার হাজার ৮৮৬টি ভোট কক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে।
এমবি





